স্থানীয় সংবাদ

মশার উৎপাতে নাজাহেল নগরবাসী

# কেসিসির ফার্নিস অয়েল দিয়ে চলছে মশা নিধণ

শেখ ফেরদৌস রহমান: সম্প্রতি মশার উৎপাতে একপ্রকার নাজাহেল নগরবাসী। শীত মৌসুমে মশার উপদ্রব্য তেমনটি না থাকলেও গরমের শুরুতে মশার উৎপাত শুরু হয়েছে এছাড়া কেসিসির পক্ষ থেকে মশা নিধণের জন্য তেমন কোন জোরালো কার্যক্রম না থাকায় মশার উৎপাত বেড়েই চলছে। সন্ধ্যার পর যেন মশার উৎপাত আরও বাড়তে থাকে। এতে করে নগরবাসীর জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। আক্রান্ত হতে পারে মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ এমনটি বলছেন চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে কথা হয় ভুক্তভোগী মোঃ মাহফুজুর রহমানের সাথে তিনি বলেন, গেল কিছুদিন যাবৎ মশার উপদ্রব খুব বেড়েছে। আর এই মশার কামড়ের স্থানে প্রচন্ড চুলকানি সৃষ্টি হয়। আশপাশে বাড়ীর আঙ্গিনা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করেছি। পাশাপাশি মশা তাড়ানোর জন্য মশার কয়েল জ¦ালিয়ে কোন ফল হচ্ছেনা। আশেপাশে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত মশার নিধনের কার্যক্রম না থাকায় মশার বংস বিস্তার বেড়েই চলছে । এছাড়া আমাদের বাড়ী উপরে খোলা টিনসেড থাকায় মশার হরহামেশায় ঘরে প্রবেশ করছে। আর মশা আক্রমণ করছে বাড়ীতে ছোট বাচ্চাদের যেখানে কামড় দিচ্ছে সেখানে মশার কামড়ের স্থানে বড় লাল ফোটা ফোলা ভাব তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কেসিসির পক্ষ থেকে মশা নিধণের জন্য ওষুধ সহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া উচিত। একই কথা বলেন মুসল্লি জাকির হোসেন তিনি বলেন, চলছে রমজান মাস, দীর্ঘ সময় তারাবি নামাজসহ অন্যান্য নামাজ আদায় করতে যেতে হয়। নামাজরত অবস্থায় মশার আক্রমনে ইবাদতে সমস্যা তৈরি হয়। আর মশা আক্রমণের স্থানে চুলকানির সৃষ্টি হয়। বলতে পারেন মশার উৎপাতের জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে গেল বৃহস্পতিবার নগরীর ফরাজী পাড়ায় দেখা গেছে কেসিসি’ দুজন কর্মচারীকে মশা নিধনের জন্য কামানের ধোয়া দিতে আর এই ধোয়াতে আশেপাশের জায়গায় সাদা ধোয়াতে আচ্ছন্ন হচ্ছে। এসময়ে কর্তব্যরত কর্মচারীরা বলেন, মশা নিধনের জন্য বর্তমান কালো তেল ডিজেল, ফার্নিস ওয়েল ব্যবহার করছে। আমাদের অফিস থেকে যা দিচ্ছে আমরা সেই ওষূধ ব্যবহার করছি। এর থেকে কিছু জানিনা। তবে, বিষয়টি নিয়ে কথা হয় খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের (আরএমও) ডাঃ প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথে সাথে তিন বলেন, অতিরিক্ত মশার কামড়ে মশাবাহিত সাধারণত তিনটি রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যেমন চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, তবে ম্যালেরিয়া আমাদের অঞ্চলে হয়না। এছাড়া মশার কামড়ে শরির মন একটি অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়। যা জনস্বাস্থ্যর জন্য হুমকি। আমাদের সচেতন হতে হবে বাড়ির আশপাশ পরিস্কার রাখতে হবে মশার আক্রমন হতে বাঁচতে হলে।
এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পেরেশনের প্রধান নির্বহী কর্মকর্তা মোঃ রাজিব হোসেন বলেন, বর্তমানে কেসিসিতে মশা নিধণের জন্য কার্যকর কোন ওষুধ মজুদ নেই। যা ছিল আগের তাই কিছু ব্যবহার হচ্ছে। নতুন ভাবে দরপত্র আহবান করা হচ্ছে। নতুন ওষুধ সরবরাহ না থাকলে কিছু হচ্ছেনা। তারপরও আমরা আগের ফার্নিস ওয়েল, সহ অন্যান যেসব ওষুধ ছিল সেই সব ব্যবহার করছি। দ্রুত একটা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button