স্থানীয় সংবাদ

আড়ংঘাটার খুদে খালের দক্ষিণ পাড়ে রাতে ৩৫টি মাছের ঘেরে বিষ

# মাছ চাষীদের প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি
# কৃষকদের দাবী খাল খনন ঠিকাদার বাঁশের সাঁকো ভাঙ্গার কারনে #

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনার আড়ংঘাটা থানা এলাকার দক্ষিণ পাড়ার বিল খুদে খালের দক্ষিণ পাড়ে ২৩ফেব্রুয়ারি ও ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ৩৫টি মাছের ঘেরে বিষ মেরে চোরচক্র মাছ ধরে নিয়ে গিয়েছে। এতে ওই অঞ্চলের কৃষকরা ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে। কয়েকজন কৃষককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। মাছ চাষী ও কৃষকদের ক্ষতির বিষয়ে আড়ংঘাটা ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাজাউর রহমান প্রিন্স সহ বিশ জন কৃষক জানান, কাপালি ঘাট থেকে খালের উপরে যাওয়ার জন্য একটি বাঁশের সাঁকো ছিল,খুদে খাল খনন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে ফেলে। কৃষকরা বলছে আমাদের বিকল্প খাল পারাপারের ব্যবস্থা না করে সাঁকোটি ভেঙে ফেলায় আমরা ওই পারে রাতে যেতে পারি না। এ কারণে আমাদের ঘেরের মাছ চৌকি দেয়ার ঘরগুলো ফাঁকা পড়ে থাকে। এই সুযোগে চোরেরা আমাদের মাছগুলো বিষ মেরে চুরি করে নিয়ে গিয়েছে। এলাকার কৃষকরা বলেন,আমরা খাল খননের পক্ষে। কিন্তু ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আমাদের দুই পাশে যাদের জমি রয়েছে তাদেও সাথে কোন কথা না বলে পারাপারের কোন ব্যবস্থা না করে খামখেয়ালি করে খাল খনন করছে। এর প্রতিবাদে বুধবার সকালে প্রায় এক ঘন্টা বিক্ষুব্ধ কৃষকরা স্কেভেটার দিয়ে মাটি তোলা বন্ধ করে দেয়। পরে আশ্বাসের ভিত্তিতে পুনরায় মাটি কাটা এস্কেভেটর চালু করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কৃষকদের কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা খুলনা জেলা প্রশাসনের কাছে ও মৎস্য অধিদপ্তরের নিকট এর ক্ষতিপূরণ দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে খুলনা কৃষক ফরমের নেতা মোঃমজনু শেখ বলেন, আড়ংঘাটা থানার ওসিকে মোবাইল করে সকল ঘটনা জানানোর পরও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। তাহলে পুলিশ প্রশাসন যদি এই চোরদের ধরতে ব্যর্থ হয়। তাহলে এই অঞ্চলের কৃষক সমাজ চরম ক্ষতির মুখে পড়বে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আড়ংঘাটা ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাজাউর রহমান প্রিন্স,মোঃ আসাদ শেখ,জনি সরদার,অতুল চন্দ্র সরকার,রবিউল শেখ, তন্ময় রায়,দিলীপ সরদার,দীপঙ্কর বিশ্বাস, পিন্টু সরদার, রিপন শেখ, তরিকুল শেখ, জাহিদুল শেখ, পীযূষ সরকার, পলাশ সরদার আইনুল শেখ, বলাকা মনটা কাজীসহ ক্ষতিগ্রস্ত কি শুক্রা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। চুরির বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহজাহান আহমেদ জানান,এই বিষয়ে আড়ংঘাটা এলাকার কোন কৃষক তার থানায় আসেনি এবং এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button