রূপসায় হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশকে মারপিট : গ্রেফতার- ১২

রূপসা প্রতিনিধি:রূপসায় এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশকে মারপিট করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা যায়, থানা পুলিশের এসআই আশরাফুল আলম বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন সময় সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান ডিউটিতে বাহির হয়। অভিযান ডিউটিকালীন সময় রামনগর মুজিবুরের মোড় অবস্থানকালে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রূপসা থানাধীন ৩নং নৈহাটি ইউনিয়নের রহিমনগর গ্রামস্থ হত্যা মামলার আসামি জহির নিজ বাড়িতে অবস্থান করিতেছে। এমন সংবাদ পেয়ে রূপসা থানা পুলিশের এসআই (নিঃ)/মোঃ আশরাফুল আলম, সংগীয় এসআই (নিরস্ত্র)/রজত কুমার মন্ডল, এসআই (নিঃ) লাইজু, এসআই (নিঃ) ইমরান খান, এসআই (নিঃ) নাজমুল হুদা, এসআই (নিঃ) মোঃ আকরামুল হক, এসআই (নিঃ) খোন্দকার ইমরান আলী, পিএসআই/মোঃ মশিউর রহমান, এএসআই (নিঃ) আজাদ হোসেনসহ রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মীর এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে ইং ২৪/০২/২০২৬ তারিখ ৩.৩০ ঘটিকার পৌছাইলে পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া তদন্তে প্রকাশিত আসামী জহির শেখ (৩২) পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় গ্রেফতার করেন। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রুপসা থানার হত্যা মামলা নং-০৯, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড তারিখ ৭/১১/২৫ রয়েছে।আসামী জহির শেখকে গ্রেফতার করার পর থানায় নিয়ে আসার প্রস্তুতিকালে আসামী চিৎকার চেচামেচি শুরু করে। তখন এজাহার নামীয় আসামী আজিজ শেখ (৪৫), নাজমুল শেখ (২৪), আবিদ শেখ (২২), মহিদুল শেখ (৬৫), নাজমুল সাকিব (২৭), নার্গিস বেগম (২৬), নাসিমা বেগম (৪০), রুনা বেগম (২৫), তমা বেগম (২৫), রুপা বেগম (২৫), ফারুক (৪৫), খন্দকার আফজাল উদ্দিন (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জন বেআইনী জনতাবদ্ধে একেত্রিত হইয়া উত্তেজনা সৃষ্টি করিয়া পুলিশের নিকট থাকা ধৃত আসামী জহির শেখ (৩২) কে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আসামী ছিনিয়ে নেওয়া প্রতিহত করিলে আসামী মোঃ জহির শেখ (৩২) এর ভাই বোন ও অন্যান্য আসামীরা এসআই আশরাফুল আলম এবং সাথে থাকা এসআই (নিঃ) নাজমুল হুদা, এসআই (নিঃ) খোন্দকার ইমরান আলী, এএসআই (নিঃ) আজাদ, এএসআই (নিঃ) জাকির, কনস্টেবল মেহেদী, মোল্লা মোঃ জাহিদুর রহমান, মোঃ ফিরোজ হাসান, মোঃ শরিফুল ইসলামদেরকে আসামীরা এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করিয়া জখম করে।আসামীদের হামলায় এস আই আশরাফুল সহ উল্লেখিত অফিসার ফোর্স আহত হইলে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হইতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়এজাহার নামীয় আসামীরা ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি করে বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে কর্তব্যরত পুলিশের সরকারী কাজে বাধাদান, মারপিট করে জখম এবং আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করিয়া ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ১৪৩/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/১৮৬/৩৪ শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংগঠনের অপরাধে আরও ১৩ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
উক্ত মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন জহির শেখ (৩২), আজিজ শেখ (৪৫), নাজমুল শেখ (২৪), আবিদ শেখ (২২), সর্ব পিতা-মহিদুল শেখ, মহিদুল শেখ (৬৫), পিতা-অজ্ঞাত, ৬। নাজমুল সাকিব (২৭), পিতা-মৃত নজরুল, নার্গিস বেগম (২৬), নাসিমা বেগম (৪০), উভয় পিতা-মহিদুল শেখ, রুনা বেগম (২৫), পিতা-রুস্তুম আলী, তমা বেগম (২৫), স্বামী-আজিজ শেখ, রুপা বেগম (২৫), স্বামী-মনির, ফারুক (৪৫), পিতা-সত্তার, খন্দকার আফজাল উদ্দিন (৪০), পিতা-মৃত খন্দকার শরীফ উদ্দিন, শ্বশুর মৃত শেখ নজরুল ইসলাম, সর্ব সাং-রহিমনগর কাস্টম ঘাট, থানা-রূপসা, জেলা-খুলনা ।



