স্থানীয় সংবাদ

ঈদ যতই এগিয়ে আসছে ততই যশোর শহরের বিভিন্ন সড়কে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানে পকেট মারের উপদ্রব্য বৃদ্ধি

মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে ঃ ঈদের বাজারে মহিলা পকেট মার ছাড়াও বিভিন্ন কৌশলে চুরি আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ঈদের আর মাত্র ২০ দিন বাকী। পবিত্র ঈদুল ফিতর যত এগিয়ে আসছে ঈদ বাজারে পকেট মার ও চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অপরাধীরা তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। জনগনের হাতে ধরা পড়লে পুলিশ খবর পাওয়া ছাড়া তাদের পক্ষে আর কোন খবর জানা সম্ভব নয়। প্রতিনিয়ত যশোর শহরের বিভিন্ন সড়কে গড়ে ওঠা ঈদ বাজারের জন্য সাজিয়ে রাখা বিপনী কেন্দ্র গুলোতে টাকা ও টাকার ব্যাগ খোয়া যাওয়ার খবর এখন ওপেন সিক্রেট। পুলিশ তদন্তর নামে অভিযোগ নামা আমলে নিয়ে ফাইল বন্দি করছে। যার কারণে পকেট মার ঈদের বাজারে ক্রেতাদের পকেট কেটে খালি করে ফেলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। যার যাই সে বোঝে এর জালা কি?
সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, যশোর শহর ও শহতলীর বিভিন্ন স্থানে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে যশোরে ঈদের বাজারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করলেও মহিলা পকেট মারের কাছে কোন সমস্যা নেই। তারা অধিক ভীড় প্রতিষ্ঠানের টার্গেট নিয়ে তাদের কর্মকান্ড অদম্য গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে। যশোর শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশের্^ গড়ে ওঠা বিভিন্ন বিপনী কেন্দ্র গুলোতে বোরখা পরিহিত নারী টানাবাজ ও চোরেরা কৌশল নিয়ে ক্রেতার পাশে পৌছে সুযোগ বুঝে নগদ টাকা টাকার ব্যাগ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন খবর গত এক সপ্তা যাবত অন্তত ১৫টি ঘটনা ঘটেছে। বিপনী কেন্দ্রগুলো নারী পকেট মার বোরকা পরিহিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠানে ক্রেতা সেজে ক্রেতাদের পাশাপাশি অবস্থান নিয়ে দোকানের মালামাল দেখার নাম করে পাশে বসে থাকা নারীর ব্যাগের মধ্যে থাকা নগদ বিভিন্ন অংকের পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। নারী পকেট মারের পাশাপাশি পুরুষ পকেট মারেরা অবাধে বিচারণ করছে। তারা সুযোগ বুঝে পুরুষ ক্রেতার পকেটসহ তাদের কেনা মালামাল মূহুর্তের মধ্যে গায়েব প্রক্রিয়ায় নেমে যাচ্ছে। অনেক ক্রেতা ঈদের বাজার করতে এসে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর যতই এগিয়ে যাচ্ছে তত যশোর শহরের বড়বাজারসহ বিভিন্ন সড়কে গড়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নারী পকেট মারের সাথে সাথে বিভিন্ন অপরাধীরা তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশের উর্ধতন কক্ষপকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button