স্থানীয় সংবাদ

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভূ- গর্ভস্ত থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে থাকা আশাশুনি

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) : দেশের সর্বশেষ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল আশাশুনি উপজেলা ভূ-গর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে রয়েছে। প্রশাসনের সাথে লুকোচুরি ও ম্যানেজ করে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে অবৈধভাবে ভূ-গর্ভ থেকে ভালু উত্তোলনকারী ব্যবসায়ীরা। পরিবেশকে ঝুঁকিতে ফেলে খাল, ঘের, পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে। এতে ভাঙন ও ধসের আশঙ্কা করছেন সতেচতন মহল।
আশাশুনি উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে রয়েছে একাধিকবার বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়া প্রতাপনগর, আনুলিয়া ও খাজরা ইউনিয়ন। যেন প্রতিটা ইউনিয়নে বালু উত্তোলনের মৌসুম চলছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধভাবে ঘনবসতি এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করায় বর্ষা মৌসুমে স্থানীয়রা তাদের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
এছাড়া শ্রীউলা, শোভনালী ও কুল্যা ইউনিয়ন রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে এবং বুধহাটা ইউনিয়ন তৃতীয় স্থানে। এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তাদের শেল্টারে ব্যবসায়ীরা একের পর এক করে যাচ্ছে এসব অন্যায়। হুমকির মুখে এগিয়ে নিচ্ছে আশাশুনি উপজেলাকে। ভূগর্ভের বালু উত্তোলন রোধে এনজিও লিডার্স সহ উপজেলাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও বিভিন্ন দপ্তরে স্মারক লিপি প্রদান করে। কিন্তু বন্ধ হয়নি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। বালুখোররা অবৈধ বালু উত্তোলন করার কারনে হুমকির মধ্যে পড়েছে। এ ভাবে যথেচ্ছ বালু উত্তোলন করলে যে কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দিনে দিনে বালুখোরদের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে। সরকারী ভাবে নির্দিষ্ট বালু মহল ছাড়া অন্য কোথাও থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না বলা হলেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে যে কোন জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি মহল।
এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়াদ্দারের ফোনে একাধিকবার কল করলে ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button