খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার ও জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের অবসান

# ধর্মঘট প্রত্যাহার, খাদ্য পরিবহনে স্বস্তির ন্বিশ্বাস #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ প্রায় দুই সপ্তাহ পরে খুলনায় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার ও জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের নিরসন হয়েছে। প্রত্যাহার করা হয়েছে ধর্মঘট। যার কারণে অচল হয়ে পড়া জরুরি খাদ্য পরিবহন ফের সচল হয়েছে। জানা যায়, মহেশ্বরপাশা, সিএসডি গোডাউন, ৪ ও ৭ নং ঘাট এলাকায় গত বৃহস্পতিবার থেকে খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতি ৬ ট্রাক সিন্ডিকেট বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করলে লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের দাবি, খুলনায় পণ্য পরিবহনে জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতির ট্রাক ব্যবহার করতে বাধ্য করায় পরিবহন ঠিকাদার ও প্রকৃত ট্রাক মালিক দুই পক্ষই আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি না প্রত্যাহার করলে খুলনার প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বে এবং ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়বেন। খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, “খুলনায় ঠিকাদাররা যে কোনো সরকারের লাইসেন্সকৃত পরিবহন থেকে স্বাধীনভাবে ট্রাক ভাড়া করতে পারা উচিত। কিন্তু জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে আমরা আমাদের ইচ্ছামতো গাড়ি নিতে পারছি না। এতে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” ঠিকাদার হাফিজুর রহমান জানান, “জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতি যে রেট নির্ধারণ করে, সেই অনুযায়ী গাড়ি নিতে হয়। প্রতি গাড়িতে তিন-চার হাজার টাকা বেশি দিতে হয়। ফিটনেসবিহীন গাড়ি হলেও বাধ্য করা হয়, প্রতিবাদ করলে খারাপ ব্যবহার করা হয়।”
অন্যদিকে খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির পর পরিস্থিতি সমাধান হয়েছে।”



