মহেশ্বরপাশা গোলকধাম এলাকায় এক যুবকের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ঃ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা গোলকধাম নামক এলাকায় স¤্রাট কুমার নামের এক যুবকের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় নির্যাতিতদের পক্ষে ধনঞ্জয় কুমার বিষ্ণু দৌলতপুর থানায় গত ৩ মার্চ লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, “গত ৩ মার্চ সকাল ১০টার সময় আমার স্বত্ত্বদখলীয় রেকর্ডীয় জমি যার এস.এ খতিয়ান নং-২৭৭৩, বিআরএস দাগ-৫১৬৪, দাগের ১১৮১ জমির মধ্য হতে নিজ রেকর্ডীয় জমি ১.৪১শতক এর মধ্যে হতে ৯ ডিসেম্বর ১.১০ শতক জমি নাহারুননেছা বেগমের কাছে বিক্রি করি এবং সার্ভেয়ার দিয়ে জমির সীমানা মেপে বুঝে দেই। নাহারুননেছা তার স্বত্ত্ব দখলীয় বাড়ীর সীমানার প্রাচীরে সেফটি ট্যাঙ্কি ইট বালি সিমেন্ট দিয়ে রাজমিস্ত্রী লেবার দিয়ে কাজ করতে থাকে। এমন সময় বিবাদী সম্রাট কুমার বিষ্ণু ও তার বোন সুমা রানী বিষ্ণু দু’ জন একত্রিত হয়ে ক্রেতা নাহারুননেছার কাজের বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করে দেয়। এসময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সে থানা পুলিশকে খবর দিয়ে নিয়ে এসে উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখতে চান। আমি ধনঞ্জয় কুমার বিষ্ণু আমার জমির যাবতীয় এসএ পর্চা, আরএস পর্চা ও দলিলের অন্যান্য কাগজপত্র পুলিশকে দেখাই। কাগজপত্র দেখে পুলিশ আমার কাগজপত্রের বৈধতা পায়। অপরদিকে বিবাদী সম্রাট কুমার বিষ্ণু পুলিশের কাছ থেকে ২ ঘন্টার সময় নেয় তার কাগজপত্র দেখানোর জন্য। কিন্তু ২ ঘন্টার পরেও সে আর পুলিশের সাথে দেখা করেননি । পুলিশ আমার কাগজপত্রের বৈধতা পাওয়া সত্বেও ক্রেতা নাহারুননেছার কাজ বন্ধ করে রাখে। এতে ক্রেতা নাহারুননেছা প্রচুর ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বিবাদী সম্রাট কুমার বিষ্ণু ও তার বোন সুমা রানী বিষ্ণু এবং তার মা দূর্গা রানী বিষ্ণু রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী লোক নিয়ে আমাকে ও জমি ক্রেতা নাহারুননেছাকে নানা হুমকী ধামকী দিচ্ছে। তাদের হুমকী ধামকীতে আমরা গভীরভাবে আতঙ্কের মধ্যে আছি।” তবে অভিযুক্ত স¤্রাট বলেন, তাদের জমি নিয়ে মামলা চলছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও তারা জোর করে তার জমি দখলের চেষ্টা করছে। তারা আদালতেদর নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করছে। বিষ্ণু আরো জানান, ১৯৯৫ সালের ২৪ মার্চ খুন হয় সঞ্জয় নামের তার এক স্বজন। ওই মামলায় স¤্রাটের বড় ভাই সুব্রত কুমার টুটুলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। স¤্রাট এলাকাবাসীকে তার সন্ত্রাসী ভাইয়ের ভয় দেখান। তার অত্যাচারে শিকার হয়েছে এলাকার আঃ সালাম, জাহাঙ্গীর, শফি, আঃ রহমানসহ অনেকে। সে বিগত দিনে যুবলীগ নেতা মার্শালের ও সোহেলের সাথে দল করতো। আর এলাকাবাসীকে মার্শালের ভযভীতি দেখাতো। তবে স¤্রাট বলেন, তার ভাই নিখোজ রয়েছে দীর্ঘ দিন। তিনি যুবলীগ নেতা সোহেল ও মার্শালকে চেনেন না। আর বিষ্ণু ৫ আগস্টের আগে আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করতো। তিনিও থানায় বিষ্ণুর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত স¤্রাট সুবিধাজনক লোক নয়।



