জাতীয় সংবাদ

ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯ : মামলা হয়নি

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনও কোনো পক্ষ মামলা করেনি। তবে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, বারবার বলার পরও এখনও কোনো পক্ষ এজাহার জমা দেয়নি। এজাহার জমা দেওয়া মাত্রই মামলা নথিভুক্ত করা হবে। আর এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৯ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তারা এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত ছিল কিনা যাচাই চলছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকরা পৌর শহরের পোস্ট অফিস মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রেলগেট অতিক্রম করছিলেন। এসময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর সমর্থকদের মধ্যে তাদের সংঘর্ষ হয়। এসময় গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১৫ জন আহত হন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনের প্রধান কার্যালয় ভাঙচুর করেন প্রতিপক্ষরা।
এসময় কার্যালয়ের সামনে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের ১৫-২০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তার আগে পাবনা-৪ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর সমর্থক ঈশ্বরদী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আব্দুল রউফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ ওঠে সাবেক ছাত্রদল নেতা ইমরুল কায়েস সুমনের বিরুদ্ধে। পরে ইমরুল কায়েস সুমনের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জাকারিয়া পিন্টুর ভাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব মেহেদী হাসানের নামে থানায় মামলা করা হয়। ওই ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে মামলাটি মিথ্যা দাবি করেন মেহেদী হাসান। সংবাদ সম্মেলন শেষে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button