‘আলোচনার’ মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা ট্রাম্পের

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বড় ধরনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প যখন ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার পথ খুঁজছেন, ঠিক সেই সময়ে নিজের হাতে আরও শক্তিশালী ‘সামরিক বিকল্প’ রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল সৈন্য বহর পাঠানোর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করা। অতিরিক্ত এই বিশাল বাহিনীকে ঠিক কোথায় বা কোন দেশে মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এর আগে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা স্থগিতের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই স্থগিতাদেশ আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ট্রাম্পের দাবি, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা চলছে। ফক্স নিউজের ‘দ্য ফাইভ’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান সরকার অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে সাত দিন সময় চেয়েছিল। কিন্তু আমি তাদের ১০ দিন সময় দিয়েছি। এই নমনীয়তার কারণ হিসেবে তিনি ইরানের পক্ষ থেকে পাওয়া একটি ‘উপহারের’ কথাও উল্লেখ করেন।
হোয়াইট হাউজে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন, আলোচনার নিদর্শন হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে আটটি তেলবাহী ট্যাংকার বা জাহাজকে নির্বিঘ্নে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, স্থগিতাদেশটি সোমবার ৬ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর আগে তিনি পাঁচ দিনের স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন, যা চলতি সপ্তাহেই শেষ হওয়ার কথা ছিল।



