জাতীয় সংবাদ

‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল তিন পার্বত্য জেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। রোববার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত ১৩ এপ্রিল ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটি শুধু রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে। তিনটি পার্বত্য জেলা ব্যতিত দেশের অন্যত্র সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য এ ছুটি ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে প্রযোজ্য হবে বন্ধ পাটকল চালুর উদ্যোগ, শ্রমিকদের দাবিগুলো বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার ইতোমধ্যে ২০টি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে ১৪টির লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (০৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শ্রমিকদের উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে পাটখাত যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। বর্তমান সরকার এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। শ্রমিকদের যেসব দাবি বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাঈদ আল নোমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি সাক্ষাৎ করে।
এ সময় তিনি বন্ধ পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে চালু করার দাবি জানান। তিনি বলেন, উন্নত দেশ থেকে কারিগরি সহায়তা এনে এবং বেসরকারি খাতের মতো দক্ষ ব্যবস্থাপনা চালু করলে পাটকলগুলো লাভজনক করা সম্ভব। সাক্ষাৎকালে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খাজা লিখিতভাবে আট দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পাটকল চালু, পলিথিনের কাঁচামাল আমদানি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাটকে কৃষি শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে শিল্প সুবিধা প্রদান, শ্রমিকদের সব বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং মিলগুলোর মূল্যবান যন্ত্রপাতি সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। বৈঠকে উভয় পক্ষ পাটখাতের উন্নয়ন ও শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button