আফিলগেটে পশুপাখি পালন নিয়ে বিরোধ, গৃহকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি : থানায় জিডি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর খানজাহান আলী থানার আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের আফিলগেটে এলাকায় পশুপাখি পালনকে কেন্দ্র করে এক গৃহকর্তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে গত ১১ মে খানজাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী শেখ মো. মাসুদ যার নং ৫৭২, জিডি সূত্রে জানা গেছে, আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত আটরা এলাকার বাসিন্দা শেখ মো. মাসুদ গত প্রায় ২০ বছর ধরে নিজ বাড়িতে পশুপাখি পালন করে আসছেন। প্রতিবেশীদের স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা মাথায় রেখে তিনি পশুপাখির জন্য আলাদা ঘর এবং ৪৭ ফুট লম্বা পাইপের মাধ্যমে আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন, যাতে কারো কোনো সমস্যা না হয়। ভুক্তভোগী মাসুদের অভিযোগ, গত প্রায় ৮ বছর ধরে তার প্রতিবেশী বিউটি নন্দী ও তার পরিবারের সদস্যরা তুচ্ছ অজুহাতে তার সাথে বিবাদ সৃষ্টি করে আসছে। পশুপাখির দুর্গন্ধের মিথ্যা অজুহাত দিয়ে বিউটি নন্দী ও তার স্বামী-সন্তানরা প্রায়ই মাসুদ ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার বিচার-সালিশ করলেও বিউটি নন্দী তা অমান্য করে আসছেন। জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৬ মে ২০২৬ তারিখে বিউটি নন্দী পুনরায় মাসুদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হন এবং তাকে ও তার পরিবারকে নিচু জাত বলে গালিগালাজ করেন। এসময় তিনি মাসুদের পালিত পশুপাখি মেরে ফেলার হুমকি দেন এবং মাসুদকে বাড়ির বাইরে পেলে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে বিউটি নন্দী ও তার পরিবারের এমন মারমুখী আচরণে মাসুদের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে যথাযথ তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এদিকে এলাকাবাসি জানান বিউটি নন্দী ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে স্থানিয় নেতাদের সহযোগিতায় বিগত ১৫ বছর এলাকায় সাধারন মানুষের সাথে খুবই অশোভন আচারন করেছেন এবং ক্ষমতার প্রভাবে এলাকার নিরীহ মানুষদের মিথ্যা মামলা, জিডি করে হয়রানি করেছেন। খানজাহান আলী থানার সেকেন্ড অফিসার এস আজাহার বলেন, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



