একটি সুস্থ, নিরাপদ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়তে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই : মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান

# মাদকবিরোধী দিবসে খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আলোচনা সভা #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, একটি সুস্থ, নিরাপদ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়তে মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। জাতিসংঘ ঘোষিত এই আন্তর্জাতিক দিবসে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দেশের শ্রমিক, যুবসমাজ এবং সর্বস্তরের জনগণের প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে নগরীর খালিশপুর বিআইডিসি রোডস্ত শ্রমিক কল্যাণ ট্রাস্ট মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান সম্পাদক খাঁন গোলাম রসুল। সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা শেখ আশরাফ হোসেন, নিয়াজ আনসারী, ফিরোজ আহম্মেদ তুহিন, খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান, কাজী মাহফুজুর রহমান, খালিশপুর থানা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি বুলবুল কবির, দৌলতপুর থানা সেক্রেটারি খান মাহবুবুর রহমান জুনাইদ, আড়ংঘাটা থানা সভাপতি অধ্যাপক শাহিনুল ইসলাম, হরিণটানা থানা সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি খান আব্দুল অহেদ ও সেক্রেটারি নুরুল হক, সদর থানার সেক্রেটারি মুরাদ সোহাগ, বিআরইএল এর সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল পরিবহন সভাপতি কামাল হোসেন, লবণচরা থানা সেক্রেটারি মাস্টার ওহিদুল ইসলাম, রকিবুল, তাজ মুহাম্মাদ, আব্দুল বারী, মো. হারুন, মো. রানা, মো. সাইদ, মো. ইমদাদ হোসেন, মো. মাসুদ, মো. কামরুল ইসলাম, মো. আব্দুল হাকিম, মো. বাদল মুন্সি, মো. মহসিন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. আবুল হোসেন, মো. সোহরাব, মো. আসলাম, মো. বারেক, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. ফারুক প্রমুখ।
মহানগরী আমীর বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ধ্বংস করে না, এটি পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করে, সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি করে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাদকের কারণে অনেক সম্ভাবনাময় তরুণ তাদের জীবন ও কর্মক্ষমতা হারাচ্ছে, যা জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সামাজিক, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শ্রমিক সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষা, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।


