স্থানীয় সংবাদ

বাগেরহাটে দোকান থেকে চিপস খেয়ে ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ

# উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা #

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি প্রাইমারী স্কুলের পাসের দোকান থেকে চীপস খেয়ে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থী ও একজন অভিভাবক মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার খবর পেয়ে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি বড় দূর্গাপুর এলাকার ওই বিদ্যালয়ে যান এবং ঘটনা শোনার পর পাশর্^বর্ত্তি দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। তিনি ওই দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ চিপস ও ডিটারজেন্টের মোড়কে চিপস বিক্রির প্রমাণ পান। এ সময় এলাকাবাসীর দাবীর মুখে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি বন্ধ করে দেয়া হয়। স্থানীয়রা ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায় , উপজেলার বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি দোকান থেকে চিপস ক্রয় করে খাওয়ার পর তাদের মধ্যে খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। চিপসগুলি ডিটারজেন্টের প্যাকেটসদৃশ্য মোড়কে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ চিপস খেয়ে শিক্ষার্থীদের পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্থি দেখা দিলে তাদের অভিভাবকরা দ্রুত রামপাল তাপ-বিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যায়। অসুস্থ ওই শিক্ষার্থীরা হলো প্রাপ্তি অধিকারী (১০) তুফান শেখ (১৩) রাজদীপ (১০) আখিরা (১১) লামিয়া (১১) জান্নাতুল (১০) আরহী মন্ডল (৫) রাহুল মন্ডল (৮) সৃস্টি বিশ্বাস (১০) দিপিকা হালদার (অভিভাবক) (২৮) ফাতেমা আক্তার (৮) আমবিকা (৬) প্রভাতী (১০)। এদের মধ্যে জান্নাতুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ার তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। রামপাল মৈত্রী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্সে রেফার করা হয়েছে। মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি বলেন, চিপস খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদ উত্তির্ণ ও অস্বাস্থ্যকর চিপস পাওয়া যায়। পরে দোকানটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button