খুলনায় সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও নাশকতার অভিযোগে মামলা : গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা: খুলনা মহানগরীর সদর থানা এলাকায় সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার পাল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রনবীর বাড়ৈ সজল, অনুপ সরকার, মৃদুল, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তায়েফুল ইসলাম তাজ, প্রসেনজিৎ, মো. শহিদুল ইসলাম, রাহাত আলী মোড়ল, অনিক হাসান পারভেজ, গৌতম সরকার কাকন, আছাফুর ঢালী, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. আক্তার শিকদার, মনিরুল ইসলাম মনি, রাজিব আহমেদ, জেলা যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ এবং মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টু। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ মামলায় ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় জানানো হয়নি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ভোর ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে ৫টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে সদর থানাধীন তারের পুকুরসংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে অভিযুক্তরা সমবেত হন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাত, মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতা এবং অন্যান্য জেলার সঙ্গে খুলনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে সড়কে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও যানবাহন ভাঙচুরের চেষ্টা চালান।
এছাড়া, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের পক্ষে এবং সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যান। পরে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “রাতে এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের নাম জানানো সম্ভব হয়নি।”



