প্রতিবাদে ও ধর্ষকের শাস্তির দাবীতে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষক ও সুধীজনেরা

# মণিরামপুরে শিক্ষার্থী ধর্ষণ #
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি ঃ যশোরের মণিরামপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষক ও সুধীজনেরা। ধর্ষনের শিকার শিক্ষার্থীর সহপাঠীশিক্ষার্থী, শিক্ষক-অভিভাবক ও মণিরামপুরের নানা শ্রেণি পেশার মানুষ ধর্ষনের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে মঙ্গলবার দুপুরে মণিরামপুর পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল,সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। এ সময় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ধর্ষকের বিচারের দাবীর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সামনে মহাসড়কে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সময় তারা অবিলম্বে ধর্ষক আবু জাফর ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকরের দাবী জানান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, মণিরামপুর পৌরশহরের সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী শনিবার সকাল ছয়টার দিকে তার সহপাঠি রাফিদকে সাথে নিয়ে গণিত শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস আলীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে। অভিযোগ রয়েছে পথিমধ্যে জয়নগর জোড়া পুকুরের পাশে পৌছলে খর্দগাংড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু জাফর, জয়নগর গ্রামের নওশের আলীর ছেলে সমির হোসেন ও করিম হোসেন খোকনের ছেলে সেলিম হোসেন তাদের গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে রাফিদকে মারপিটের পর তাড়িয়ে দিয়ে তারা তিন বন্ধু ওই ছাত্রীকে জোর করে জোড়া পুকুরের পাশে নিয়ে যায়। ওই ছাত্রী জানায়, এ সময় সমির ও সেলিমের সহযোগীতায় আবু জাফর তাকে ধর্ষন করে। এ সময় পাশর্^বর্তী ক্ষেতে কাজ করার সময় কয়েকজন কৃষক বিষয়টি আচ করতে পেয়ে এগিয়ে আসলে ধর্ষনকারী ও তার দুই বন্ধু পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে যেয়ে ওই ছাত্রী তার মায়ের কাছে ঘটনার বর্ননা দেয়। সন্ধ্যার পর এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর ভাই বাদি হয়ে আবু জাফর, সমির হোসেন ও সেলিম হোসেনের নামে মামলা করেন। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সমির হোসেনকে আটক করে। পুলিশ ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।
এ দিকে ঘটনার ৪দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও পুলিশ প্রধান আসামিসহ অন্য সহযোগীকে আটক করতে না পারায় শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আবু সাঈদ জানান, সমির নামে অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে বাকী দুই আসামিকে আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



