দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদাম সড়কের খানাখন্দে পড়ে বিকল খাদ্যবাহী ট্রাক

# ২০ টির অধিক ট্রাক উল্টে খাদ্যসামগ্রী নষ্ট #
# রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত, প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা #
এম রুহুল আমিন : টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খুলনার জনজীবন যেমন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তেমনি খুলনার কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদামের ভিতরের মূল সড়কের আংশিকসহ প্রতিটি সংযোগ সড়ক যা গুদামে মালামাল প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হয়, সেই সড়কগুলোতে পানি জমে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত খানাখন্দের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বোঝাই ট্রাক পড়ে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। খাদ্য গুদামের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ বলেন, আমাদের ভেতরের পানিগুলো পূর্বে দ্রুত নিষ্কাশিত হত। কিন্তু ইতিপুর্বে ম্যাক্স ঠিকাদার কোম্পানি রেল লাইনের কাজ করার পর থেকেই ড্্েরনেক ব্যবস্থার কাজ সুন্দর না করার কারণে এখন একটু বৃষ্টি হলেই গুদাম এরিয়ার মধ্যে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। চাউল নিয়ে আসা একাধিক ট্রাক ড্রাইভার বলেন, রাস্তা নরম, বৃষ্টির পানি সর্বদা জমে থাকার কারণে গাড়ি বসে যাচ্ছে। যার জন্য আমাদের ব্যয় হচ্ছে বাড়তি টাকা ও নষ্ট হচ্ছে কর্মঘন্টা। আমরা মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদামের সড়কগুলো দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানাই। খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ বলছে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে রাস্তা মেরামতের ব্যাপারে লিখিত দেয়া হয়েছে। কতৃপক্ষ সর্বাত্মক গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী করবে বলে জানিয়েছেন। সরোজমিনে দেখা যায়, টানা বৃষ্টিতে গুদাম এলাকায় রাস্তাঘাট পানি নিমজ্জিত রয়েছে, মূল সড়কটির আংশিক কিছু জায়গা ছাড়া সকল রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। খাদ্য গুদামে কর্মরত শ্রমিকরা বলেন, রাস্তা নষ্ট থাকার কারণে ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে আসতে পারছে না। টানা বৃষ্টিতে পানির মধ্যে খানাখন্দে ভরে আছে। ট্রাক ঢুকলে বড় বড় গর্তের মধ্যে পড়ে উল্টে গিয়ে চাউল পানির মধ্যে পড়ে যায়। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ টির অধিক ট্রাক গর্তের মধ্যে পড়ে বিকল হয়ে গিয়েছে। খামাল ভেঙ্গে চাউল নিচে পড়ে পানিতে ভিজে গিয়েছে। যেগুলো গোডাউন কর্তৃপক্ষ পানি থেকে তুলে আবার শুকাচ্ছে। দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা খাদ্য গুদামের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) মোঃ মোশারফ হোসেন এ প্রতিবেদক কে জানান,পানি সরানো ও রাস্তা মেরামতের জন্য নিজের খরচে সোমবার ১০ জন শ্রমিক কাজ করাচ্ছি। রাস্তার গর্তগুলো ইটভাঙ্গা দিয়ে সাময়িক সংস্কার করছি। যাতে করে গাড়ি চলাচল করতে পারে। তিনি আরো বলেন, খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্যারের মাধ্যমে ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। খুলনার আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্যার বলেছেন অতি দ্রুত সময়ের মধ্যেই খাদ্য গুদামের ভিতরের জরাজীর্ণ রাস্তা গুলো সংস্কার করা সম্ভব হবে।


