খুসাস’র উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু

# ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও নজরুল বর্ষ ২০২৬ #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সাহিত্য সমাজের দর্পণ। কবি-সাহিত্যিকগণ লেখনীর মধ্য দিয়ে সমাজের নানা দিক তুলে ধরেন যা আমাদের নতুন করে বাঁচতে শেখায়। সে কারণে কবি-সাহিত্যিকগণ আমাদের অমূল্য সম্পদ। কেসিসি প্রশাসক শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর উমেষ চন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে খুলনা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংস্থা (খুসাস)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। প্রশাসক খুলনার নাট্যাঙ্গনের সমৃদ্ধ ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, এক সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহব্যাপী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। কিন্তু এ শাখায় দীর্ঘদিনের বন্ধাত্ব আমাদের পিছনে ফেলে দিয়েছে। নজরুল বর্ষকে সামনে রেখে সাহিত্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বন্ধাত্ব কাটিয়ে উঠতে হবে। খুলনার সাহিত্য-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে কেসিসি’রও দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ একটি চত্বরকে নজরুল চত্বর হিসেবে নামকরণ, একটি কালচারাল সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান এবং খুলনা শহরকে একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক শহরে পরিণত করার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে বলে ঘোষণা দেন। খুসাস-এর সভাপতি মো: জিনারুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচনা হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য বিশারদ প্রফেসর আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুসাস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সংগঠক স ম হাফিজুল ইসলাম, খুসাস-এর প্রধান উপদেষ্টা কবি ও সাহিত্যক শেখ মনিরুজ্জামান লাভলু এবং বিশিষ্ট কবি ও নজরুল গবেষক সৈয়দ আলী হাকীম। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক নিত্যানন্দ মন্ডল এবং অটোমেটিক বিদ্যুৎ ডিটেকশন হেলমেটের আবিষ্কারক প্রকৌশলী তন্ময় রায়। সঞ্চালনা করেন খুসাস-এর উপদেষ্টা বেতার ব্যক্তিত্ব শেখ আছাদুজ্জামান মিথুন। অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে কবিতা আবৃত্তি, বইয়ের মোড়ক উম্মোচন, গুণীজন সংবর্ধনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু দিনব্যাপী নগরীর তালতলা হাসপাতাল রোড, ইসমাইল সড়ক ও সড়ক সংলগ্ন পুকুর, ফুলবাড়ি গেট বাজার, এসআর সিরাজী রোড সংলগ্ন ড্রেন, এজাক্স জুটমিল, সোনালী জুটমিল, সোনালী জুটমিল জামে মসজিদ, আব্দুর রব সরণির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ পানি নিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি ল্যাবরেটরি স্কুল ও টিটিসি মোড়ের জলবদ্ধতা, কুয়েটের অভ্যন্তরীণ জলবদ্ধতা ও ফুলবাড়ী গেটস্থ কেসিসি কর্তৃক নির্মিত পাবলিক টয়লেট পরিদর্শন করেন। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন, শেখ শফিকুল হাসান দিদার ও আজিজুন নাহার বেলা, সমাজসেবক মীর কায়ছেদ আলী, আব্দুর রব মুন্সী, শাম্মী চৌধুরী মলি, ইকবাল হোসেন, জহির উদ্দিন লিটন, জামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান বাপ্পীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



