খালিশপুরে মাদক স¤্রাট সাদ্দামের ঘাটিতে পুলিশের হানা: ১৯ মামলার আসামীসহ দু’ মাদক কারবারীকে গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর খালিশপুরে আলোচিত মাদক বিক্রেতা সাদ্দামের মাদক ঘাটিতে গতকাল সকালে পুলিশ হানা দিয়ে ১৯ মামলার আসামীসহ দু’ মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১৯ মামলার আসামী ও মাদক স¤্রাট সাদ্দামের ভাই সাজু (৩২) ও একই এলাকার বাসিন্দা ও ৫ মামলার আসামী বাপ্পী হোসেন মামুন (৩২)। তবে এদের কাছ থেকে পুলিশ কোন মাদক দ্রব্য উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে খালিশপুর থানার ওসি শাহাজান আলী জানান।
তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিল। সাজু মাদক, ডাকাতি, চুরিসহ ১৯ মামলার আসামী আর মামুন ৫ মামলার আসামী। এ জন্য নির্যাতিত এলাকাবাসী পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, স্থানীয় একাধিক বিএনপির নেতার বাড়ি সাদ্দামের মাদক পয়েন্ট ঘেরা। এসব নেতাদের রহস্যজনক আচরনেই সাদ্দাম আজ এলাকার সাধারণ যুব সমাজ ধ্বংসের নায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ তাকে থামাতে পারছে না। পুলিশ চেক পোস্ট বসালেও তার মধ্যেও চলছে সাদ্দামের মাদক বেচাকেনা। পুলিশ যেন মাদক কারবারিদের নাটক দেখছে দর্শকের মত। পুলিশ চাইলে সাদ্দামের মাদক পয়েন্ট ধ্বংস করা সম্ভব এটা এলাকাবাসীর বিশ্বাস। পুলিশ চাইছে না তাই সাদ্দামের মত মাদক স¤্রাট সমাজকে গিলে খাচ্ছে। অবিলম্বে এই কুখ্যাত মাদক কারবারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর। তারা দিন রাত ২৪ ঘন্টা ১০/১২ জন মোড় দাঁড়িয়ে মাদক বিক্রি করছে প্রকাশ্যে। ওই মোড়েই কয়েকজন বিএনপি ও যুবদল নেতার বাড়ি। তারা কেউই ট ুশব্দটুকু করছে না। অথচ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিকবার বলছেন, মাদকে না বলুন। মাদক বিক্রেতাদের বয়কট করুন। তাদের সমাজ থেকে বিতাড়িত করুন। কিন্তু সাদ্দামের পয়েন্টের চারপাশে বিএনপি নেতাদের ঘর বাড়ি হলেও তারা কেন নিরবে। তারা কি প্রধানমন্ত্রীর কথা আমলে নিতে চায় না। এ প্রশ্নে উত্তর জানতে চায় সাধারণ মানুষের।


