স্থানীয় সংবাদ

খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল সহ আশপাশে এলাকায় অব্যহত গণচুরি

# গভীর রাতে চলে মাদকসেবীদের আনাগোনা #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ গেল কয়েক সপ্তাহ যাবৎ খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালসহ তার আশে পাশের এলাকায় গণচুরি এখনও অব্যহত রয়েছে। প্রতিদিন ঘটছে চুরির ঘটনা। ইলেকট্রক্সি তার, বাথরুমের উপরে ভেন্টিলেটারের ছোট থাইগ্লাস, থাইগ্লাসের জানালা, এসি কপার পাইপ ও স্যানিটারি জিনিসপত্র। এছাড়া গেল শুক্রবার রাত্রে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের ভিতর হতে বিভিন্ন মালামাল চুরি করে চোরচক্র। যার মধ্যে পাঁচটি সিলিং ফ্যান ইলেকট্রিক ক্যাবল, ১৫টি এসি’র কপার পাইপ, থাই জানালা ছয়টিসহ স্যানিটারি জিনিসপত্র ও প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল ছিল। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ডা: শেখ আবু শাহীন খালিশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া রাত্রে একটু গভীর হলেই মাদক সেবীদের আনাগোনা চলছে এলাকাটি ঘিরে এমন অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। কখনও মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত ভ্যান, রিক্সা নিয়ে তারা চুরি সংগঠিত করে। স্থানীয় দোকানদকার মোঃ রিয়াদ হোসেন বলেন, আমি চুরির ভয়ে প্রতিদিন দোকানে ঘুমিয়ে থাকি। তবে রবিবার সকালে দেখি দোকানে বিদ্যুৎ নেই। আমি প্রথমে ভেবেছি যে হয়তো লোডশেডিং হয়েছে তবে, দীর্ঘক্ষন অপেক্ষার পরও যখন বিদ্যুৎ নেই তখন বাইরে এসে দেখি আমার বিদ্যুতের তার নেই। এছাড়া শুধু আমার একার না পাশের বাসিন্দা মোঃ জাকির এর বাড়ী, তার কয়েকদিন আগে মিজান চাচার বাড়ী ও রহমান চাচার বাড়ী থেকে ইলেকট্রিক ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া বাথরুমের ভেন্টিলেটারের ছোট থাই জানালা একাধিক বাড়ীর থেকে চুরি করে নিচ্ছে চোরেরা। কয়েকদিন আগে লিটন ভাইয়ের বাড়ীতে ও ফারহানদের বাড়ীর বাথরুমের ভেন্টিলেটার থাই জানালা চুরি করে নিয়ে যায়। ্্্্্্আমার দোকান রাস্তার পাশে প্রায় গভীর রাত্রে কিছু সময় পরপর, রিক্সা, ভ্যান ও মোটারবাইক চলাচল করার শব্দ পাই প্রতিদিন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সচেতন নাগরীক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমান প্রায় ঘরে ঘরে ইয়াবা সেবনকারী আর এই ইয়াবা সেবনকারীরা রাত্রে ঘুমায়না। তারা মাদকের টাকা যোগাড় করতে যেয়ে এসব চুরি সংগঠিত করছে। পাশাপাশি বাড়ছে অপরাধমূলক কার্যক্রম, খুন, ছিনতাইয়ের মত অপরাধমূলক কাজ। তবে, বিষয়টি নিয়ে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ শেখ আবু শাহীন বলেন, প্রায় হাসপাতাল হতে চুরি হচ্ছে। এর আগেও ঈদের ছুটির সময়ে চুরি হয়েছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট খালিশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করে তবে, বড় জায়গা হওয়ায় এরা দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তবে, বিষয়টি নিয়ে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহাজান আহমেদ বলেন, পুলিশ প্রতিদিন টহল ডিউটি করছে। চুরির বিষয়ে অন্য ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করেনি। তারপরও আমরা রাত্রিকালিন পুলিশী টহল জোরদার করছি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button