স্থানীয় সংবাদ

আড়ংঘাটায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

স্টাফ রিপোর্টার : ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা পূরণে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামের একটি নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আড়ংঘাটা ইউনিয়ন যুবদল নেতা হান্নান মোড়লের সঞ্চালনায় ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাসেলুজ্জামান রাসেলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সুযোগ্য সভাপতি, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রত্যাশী মতলুবুর রহমান মিতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে- দীন এলাহী, তরিকুল ইসলাম, রাজাউর রহমান প্রিন্স, মোঃ মহিদুল ইসলাম,আকসির হোসেন সাজু,হারুন গাজী, শেখ ইউনুস আলী, নারায়ন মিশ্র, মানিক সরদার, মহিবুল ইসলাম সাম্য, সোহান শেখ, সাজ্জাদুল ইসলাম রাতুল, সেলিম মল্লিক, সেলিম শেখ, আয়েশা বেগম, শাহরিয়ার হোসেন রানা, লেলিন শেখ, আব্দুল লতিফ মালি, দিবারুল শেখ, কাজী আমিনুল ইসলাম, তারেক শেখ,ইসরাফিল শেখ মুস্তাকিম শেখ, জাবের শেখ, নাদিরা বেগম,দীপঙ্কর মন্ডল, খাদিজা বেগম, রেশমা বেগম,সোনালী বেগমসহ আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মিতুল তার বক্তৃতায় বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা পূরণে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামের একটি নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি সমৃদ্ধশালী, স্বনির্ভর দেশ হিসেবে পরিচিত লাভের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, সে সময়ের কিছু দুষ্কৃতকারী বুঝতে পেরেছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি এই বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে তাদের অনেকেরই ক্ষতি হবে। অনেক দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। এই কারণে আমাদের প্রিয় নেতাকে চট্টগ্রামে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই হত্যাকারীরা জানে না, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করলেই এই দলটি ধ্বংস হয়ে যাবে না। এই দলটি সেই থেকে আজ পর্যন্ত লড়াই ও সংগ্রাম করে যাচ্ছে দেশ, মাটি ও মানুষের জন্য। তিনি আরোও বলেন, আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিন তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বর্তমান আমাদের নেতা, আমাদের দলনেত্রী, দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন এবং গত ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দলটি আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দায়িত্ব পেয়েছে। আপনারা ইতিমধ্যেই দেখেছেন, আমাদের প্রিয় নেতা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্নভাবে এই দেশটিকে তার পিতার মত সুন্দর জায়গায়, বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে যাতে দাঁড়াতে পারে সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে চলেছেন। যার সুফল ইতোমধ্যে বইতে শুরু করেছে। সকলের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনাদেরকে বলবো আমাদের সকলকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আমাদের বর্তমান চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আমাদের এই দলটিকে গ্রাম-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লা থেকে সকল জায়গায় একত্রিত হয়ে আরো সু সংগঠিত ও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বক্তৃতা শেষে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ আরাফাত রহমান কোকোসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি আবু ছালেহ্।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button