সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দীর পাওনা অবিলম্বে পরিশোধ করুন : এমইউজে

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মুহাম্মদ আবু তৈয়ব এবং সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম শামিমুজ্জামান এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি খুলনায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দীর পাওনা পরিশোধে কালের কণ্ঠ তথা বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করছে। যা খুবই নিন্দনীয় এবং সংবাদপত্র শিল্পের জন্য লজ্জাকর এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কালের কণ্ঠ-এর ব্যবস্থাপনায়ও পরিবর্তন আসে। নতুন ব্যবস্থাপনা কালের কণ্ঠ-এর সাবেক খুলনা ব্যুরো প্রধান গৌরাঙ্গ নন্দীকে পদত্যাগের আহ্বান জানায়। তিনি পদত্যাগ করেন। পদত্যাপত্র গ্রহণ করে এক মাসের মধ্যে পাওনা পরিশোধ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পাওনা না পাওয়ায় তিনি শ্রম আদালতের দ্বারস্থ হন সাংবাদিক গৌরঙ্গ নন্দী। আদালত চলতি বছর মে মাসে গৌরঙ্গ নন্দীর পাওনা এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করার জন্য কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু চার মাস অতিবাহিত হলেও কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষ এখনও তাঁর পাওনা পরিশোধ করেনি, যা সুনির্দিষ্টভাবে আদালত অবমাননার শামিল। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দীর একটা ষ্টাটাস দেখে আমরা উদ্বিগ্ন ও আতংকিত। তাই, আমরা অবিলম্বে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে সিনিয়র সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দীর পাওনা অবিলম্বে পরিশোধ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি, সংবাদপত্র শিল্পে এই নৈরাজ্য, কর্মীদের পাওনা পরিশোধ না করা, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা পরিশোধ না করার মতো আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যথায়, সাংবাদিক সমাজ আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে। দু:খজনক হলেও সত্যি, বরিশালের সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জী ও ঢাকায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার আর্থিক চাপে পড়ে, পাওনা না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পাওনা না পেয়ে সাংবাদিকদের আত্মহত্যার মিছিল কোন সমাজের জন্য শুভ বয়ে আনতে পারে না, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথেও এটি এক চরম লজ্জা।



