মধ্যরাত হতে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ ইলিশ বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ ৭ অক্টোবর মধ্য রাত হতে আগামী ২৯ অক্টেবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এ সময়ে ইলিশ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহণে বিপননে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এ দিকে নিষেধাজ্ঞার আগের দিন ইলিশ বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। গতকাল বুধবার নগরীর বিভিন্ন বাজারে ইলিশ কিনতে শেষ বারের মত ক্রেতাদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মত। অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বাজারে ঘুরছে কাঙ্খিত ইলিশ ক্রয় করার জন্য। তবে বাজারে ইলিশ চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশ কম থাকায় এবং ইলিশের দাম বাড়তি ছিল। দুইশ’গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ ৭৫০ টাকা থেতে ৮শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চার থেকে পাঁচ পিসে কেজি ইলিশ নয়শ টাকা থেকে সাড়ে নয়শ টাকা কেজি। ৫শ গ্রাম থেকে ৬শ গ্রাম মাছের কেজি পনেরশো টাকা থেকে ষোলোশ টাকা। এছাড়া কেজি বা তার উপরে সাইজের মাছ তিন হাজার টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে বয়রা বাজার এলাকায় কথা হয় ক্রেতা নয়ন সরদারের সাথে তিনি বলেন, মাছের রাজা ইলিশ এই ইলিশের বর্তমান দাম সাধারণ মানুষের নাগালে নেই । আমি মাত্র দুই কেজি মাছ জাটকা ইলিশ ক্রয় করেছি ১৮শ টাকা দিয়ে। যেহেতু আগামী ২২দিন ইলিশ ধরা বন্ধ। এছাড়া ক্র্তোও বেশ দেখা যাচ্ছে। তবে খুচরা বিক্রেতা ইমরান হোসেন বলেন, বাজারে বেশি ছোট সাইজের মাছ। তবে মাছের দাম বেশি। আড়তে সরবরাহ কম। যেকারণে দাম একটু বেশি। একটু কম দাম থাকলে আমাদেরও ভালো হয়। ভালো বেচা বিক্রি হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে খুলনা জেলা মৎস কর্মকর্তা বদরুল আলম বলেন, ইলিশের প্রজনন এর সময়ে সরকারীভাবে ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ। আমরা মা ইলিশ প্রজনন রক্ষায় খুলনার বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে টাস্কফোর্স গঠণ করেছি। নিয়মিত টহল এর পাশাপাশি জন সচেতনতার জন্য মাইকে প্রচার করা হবে। পাশাপাশি আমরা সরকারীভাবে ভিজিএফ এর মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দিতে মোট ৩ হাজার ৯শ ৮৬ জন জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে চাউল দিচ্ছি প্রায় ৯ দশামিক ৬৫ মেট্রিক টন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে জেলেদের তালিকা করা হয়েছে। সেভাবে আমরা চাউল দিব। এছাড়া আমরা নিয়মিত নজরদারি করব। যদি কোন ব্যক্তি আইন অমান্য করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। তাৎক্ষনিক মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানা করা হবে।



