বিনোদন

পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার পেলো শাকিবের ‘প্রিয়তমা’

প্রবাহ বিনোদন : ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ঢালিউডের একচ্ছত্র সুপারস্টার হিসেবে। তবে সাম্প্রতিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায় যুক্ত হয়নি নতুন কোনো স্বীকৃতি। ১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হয় শাকিব খানের। ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে বড় সাফল্য না পেলেও নায়ক হিসেবে তিনি দর্শকের নজর কেড়ে নেন। পরের বছরই সে সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের বিপরীতে ইস্পাহানি-আরিফ জাহান পরিচালিত ‘গোলাম’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান, যা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে। তবে ক্যারিয়ারের শুরুটা খুব একটা মসৃণ ছিল না। ১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি সিনেমাই সাফল্যের মুখ দেখে। মোড় ঘুরে যায় ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কোটি টাকার কাবিন’ সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবির পর থেকেই শাকিব খানের একচ্ছত্র আধিপত্য শুরু হয় ঢালিউডে। একই ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয় অপু বিশ^াসের, আর তাদের জুটি পরবর্তী প্রায় নয় বছর ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করে। এই সময়ে তাদের অধিকাংশ সিনেমাই ছিল বক্স অফিস হিট। অপু বিশ^াস ছাড়াও শাকিব খান বিভিন্ন সময়ে একাধিক নায়িকার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং সেসব সিনেমাও দর্শকমহলে প্রশংসা পেয়েছে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’, ‘খোদার পরে মা’, ‘আরও ভালোবাসবো তোমায়’ ও ‘সত্তা’-এই চারটি সিনেমার জন্য চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন শাকিব খান। গত বৃহস্পতিবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এবছর শাকিব খান ব্যক্তিগতভাবে কোনো পুরস্কার না পেলেও তার অভিনীত সিনেমা ‘প্রিয়তমা’ পেয়েছে মোট পাঁচটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বিভাগগুলো হলো-শ্রেষ্ঠ গায়ক, শ্রেষ্ঠ গীতিকার, শ্রেষ্ঠ সুরকার, শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার ও শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button