হামাস নয়, ইসরায়েলির মাধ্যমে আহত হয়েছি: বন্দিদশা থেকে মুক্ত নারী

প্রবাহ ডেস্ক: গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত ইসরায়েলি নারী নোয়া আরগামানি গত শুক্রবার বলেছেন, আমি যে আঘাত পেয়েছি, সেটা হামাসের আক্রমণ থেকে নয়; বরং আমাকে উদ্ধারের সময় ইসরায়েলিরা যে বিমান হামলা চালিয়েছিল, তা থেকে হয়েছে। খবর ইস্ট আইয়ের। এর আগে বুধবার টোকিওতে জি৭ দেশগুলোর কূটনীতিকদের সামনে কথা বলার সময় আরগামানি বন্দিদশায় তার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছিলেন। গত ৭ অক্টোবর থেকে তিনি হামাসের হাতে বন্দী ছিলেন। বুধবার তার উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে, তা ভুল এবং বিভ্রান্তিকরভাবে কিছু অংশ থেকে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ইসরাইলি মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের অসঙ্গতি তুলে ধরে আরগামানি সুস্পষ্টভাবে বলেন যে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা তাকে প্রহার করেনি কিংবা তার চুল কেটে ফেলেনি। তিনি টোকিও বক্তৃতা নিয়ে ইসরাইলি মিডিয়া কভারেজের উল্লেখ করে বলেন, ‘এখানে আমার কথাকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে কিংবা বিভ্রান্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার বন্দিদশার সময় হামাস সদস্যরা আমাকে আঘাত করেনি, তারা আমার চুল কাটেনি; ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর এক পাইলট একটি দেয়াল গুঁড়িয়ে দিলে আমি আহত হই। আমি ৭ অক্টোবরের শিকার। আমি মিডিয়ার হাতে আবারো শিকার হতে চাই না।’ ইসরায়েল গত জুন গাজার নুসেরাত ও দির আল-বালা উদ্বাস্তু শিবির থেকে ২৬ বছর বয়সী আরগামানিকে উদ্ধার করে। ওই অভিযানের সময় অন্তত ২৩৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। তাদের বেশিভাগই ছিল নারী ও শিশু। তার বয়ফ্রেন্ড আভিনাতান ওর এখনো হামাসের হাতে বন্দী রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বয়ফ্রেন্ড আভিনাতান এখনো সেখানে আছে। খুব বেশি দেরি হওয়ার আগেই তাদের ফিরিয়ে আনা দরকার। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক বেশি লোককে হারিয়ে ফেলেছি। আর কাউকে হারাতে চাই না।



