স্থানীয় সংবাদ

কেসিসি কর্তৃক কোরবানির পশু জবাইয়ে ১৪১টি স্থান নির্ধারণ

পরিবেশ দূষণ রোধে ২০১৪ সাল থেকে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে

খলিলুর রহমান সুমনঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহায় বাড়ির সামনে কিংবা রাস্তার ওপরসহ যেখানে সেখানে পশু কোরবানি বন্ধে এবারও উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। পশু কোরবানির জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের ১৪১টি পয়েন্ট নির্ধারণ করে দিয়েছে সংস্থাটি। পরিবেশ দূষণ রোধে কেসিসি ২০১৪ সাল থেকে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। যা এবারও নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রতি বছর ঈদুল আযহার দিন খুলনা নগরীতে বাড়ির সামনে এবং রাস্তার ওপর গরু-ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়। এর ফলে পরিবেশ দূষিত হয়। এ ছাড়া পশু জবাই দেখে অনেক শিশু ভয় পায়। এ অবস্থা নিরসনে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তৎপর হয়েছে কেসিসি। এবার নগরীতে ১৪১টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে কেসিসির পক্ষ থেকে ওয়ার্ড প্রতি ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা নগদ দেয়া হবে। এছাড়া এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করার জন্য নগরীর প্রতিটি মাদ্রাসা ও মসজিদে প্রচারণা চালানোর জন্য লিফলেট দেয়া হচ্ছে। কেসিসির বাজার স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শেখ হাসান ইফতেখার চালু বলেন, কেসিসির এ উদ্যোগটি নগরবাসী খুবই ভালভাবে নিয়েছে। কোরবাণীর দিন প্রতিটি স্পটে কোরবানীদাতার মাংস বহনের জন্য ভ্যানগাড়ী, মাংস রাখার জন্য পাটি, পানি থাকবে। পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়নে কেসিসি সদা প্রস্তুত। কেসিসির এ উদ্যোগ কাউন্সিলরা বাস্তবায়ন করবে এটাই স্বাভাবিক বলে তিনি মনে করেন। ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাঃ সম্পাদক এস এম মনিরুজ্জামান মুকুল বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ২নং ওয়ার্ডের ২২টি মসজিদের ইমামদের দিয়ে নামাজের সময় প্রচারণার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়ার্ডের প্রতিটি ইউনিট নেতাদের নিয়ে বসে এ বিষয়টি যাতে বাস্তবায়ন হয়ে সে ব্যাপারে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে পরিবেশ সুন্দর থাকবে। ওয়ার্ডবাসী দুষণমুক্ত পরিবেশে ঈদের দিন আনন্দ উল্লাস করতে পারবে বলে এ নেতা মনে করেন। কেসিসির ভেটেরিনারি অফিসার ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস জানান, গত কয়েক বছর ধরে নগরীতে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি কার্যক্রম চলে আসছে। নগরবাসীর পাশাপাশি কাউন্সিলরদের মাঝে বেশ সাড়া জেগেছে। এবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আগেভাগেই তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির আহ্বান জানিয়ে নগরীতে লিফলেট বিলি ও সাত দিন ব্যাপী মাইকিং করা হচ্ছে। কেসিসির ভেটেরিনারি সার্জন জানান, পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য এসব স্থানে থাকবেন জবাইকারী ও কসাই নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করতে হবে। এ ছাড়া মাংস ধোয়ার জন্য থাকবে পানি ও বসার জন্য চেয়ার। কেসিসি কর্তৃপক্ষের ধারণা, নগরীতে এ বছর পশু কোরবানি হবে প্রায় ১১ হাজার। কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান জানান, প্রতি বছর কোরবানির পর কিছু মানুষ রাস্তার ওপর কিংবা ড্রেনে গবাদি পশুর উচ্ছিষ্টাংশ ফেলে। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং ড্রেনের পানি চলাচল বিঘিœত হয়। বর্জ্য অপসারণে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেগ পেতে হয়। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি হলে দ্রুত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা সম্ভব হবে। এ জন্য নগরীর ২টি ওয়ার্ড মিলে একটি করে টিম গঠন করা হয়েছে। যাতে করে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা সহজে তাদের ময়লা সংগ্রহ করে তারা এসটিএস-এ ফেলতে পারে। এ ব্যাপারে কেসিসির ভেটেরিনারি অফিসার ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস বলেন, কারও বাড়ির আঙিনায় বা গাড়ির গ্যারেজে পশু কোরবানির মতো জায়গা থাকলে তারা সেখানে করতে পারেন। তবে তারা যেন ময়লা রাস্তায় কিংবা ড্রেনে না ফেলেন। তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থানে পশুর বর্জ্য ফেলার জন্য আহ্বান জানান তিনি। নগরীর কোরবানী পশু জবাইয়ের ১৪১টি নির্ধারিত স্থান হলো-১নং ওয়ার্ডে ৬টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হলো- জাতীয় তরুন সংঘ মাঠ, দীঘির পশ্চিম পাড়, কালিবাড়ী দিঘির পাড়, মহেশ্বরপাশা মতির বাগানবাড়ী পশ্চিম পাড়া, মহেশ্বরপাশা সরকারী প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়, মহেশ্বরপাশা শহীদ জিয়া মহাবিদ্যালয় মাঠ ও মহেশ্বরপাশা উত্তর বনিকপাড়া, খানাবাড়ী। ২নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হলো-কেডিএ আবাসিক জামে মসজিদের সামনে, মিরেরডাঙ্গা তেতুলতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গন, মিরের ডাঙ্গা বি.এফ আই ডি সি রোড রং মিল গেট, সেনপাড়া জহির উদ্দিন গন বিদ্যাপিঠ স্কুল মাঠ ও রেলীগেট কৃষ্ণমোহন স্কুল প্রাঙ্গন । ৩নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান (সাড়াডাঙ্গা মাঠ), কার্ত্তিককুল ঈদগাহ ময়দান, মধ্যডাঙ্গা স্কুল মাঠ, মহেশ্বরপাশা আদর্শ সরকারী প্রাথঃ বিদ্যালয় মাঠ ও শশী ভূষণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ, মহেশ্বরপাশা-কুলি বাগান। ৪নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। ৪নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- দেয়ানা দক্ষিণ পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন, কলেজিয়েট স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন, দেয়ানা উত্তরপাড়া স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন ও দেয়ানা মোল্যা পাড়া স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন। ৫নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে-আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দান, কেডিএ কল্পতরু চত্বর, দত্তবাড়ী ইসহাকিয়া মাদ্রাসা ময়দান, তিন দোকানের মোড় খানজাহান আলী মাদ্রাসা ময়দান ও বীনাপানি সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠ। ৬নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে-পাবলা সবুজ সংঘ মাঠ প্রাঙ্গন, পাবলা শেরেবাংলা স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন,পাবলা কারিকর পাড়া স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন ও পাবলা মধ্যপাড়া দাসের ভিটা । ৭নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- কাশিপুর ফুটবল মাঠের উত্তর পার্শ্বে, মোল্লা বাড়ীর সামনে, শহীদ কমিশনারের বাড়ীর সামনে (সাবেক) ও হাজী বাড়ীর মোড়। ৮নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- খানজাহান আলী মাদ্রাসা ক্রিসেন্ট গেট, ক্রিসেন্ট জামে মসজিদ মাঠ, খুলনা বিদ্যূৎ কেন্দ্র মাঠ ও গোয়ালপাড়া কমিউনিটি সেন্টার। ৯নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- গোয়ালখালী ক্যাডেট স্কীম মাদ্রাসার সম্মুখে, মুজগুন্নী নেছারিয়া মাদ্রাসার সম্মুখে, মুজগুন্নী উত্তরপাড়া ঈদগাহ মাঠ ও বাস্তহারা কলোনী ঈদগাহ মঠি। ১০নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- দারুল মোকাররম মাদ্রাসা মাঠ, চিত্রালী সুপার মার্কেট সংলগ্ন, খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা, ২১৮ নং রোড ঈদগাহ সংলগ্ন, স্কাউট মাঠ, ১৭ নং রোড আবাসিক এলাকা, বঙ্গবাসী স্কুল রোড, স্কুলগেট সংলগ্ন, ২৬ নং রোড ও ১০ নং ওয়ার্ড অফিস সংলগ্ন, নয়াবাটি, ১১ নং রোড। ১১নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- খালিশপুর নিউ মার্কেট সংলগ্ন কসাইখানা, প্লাটিনাম শ্রমিক ক্লাব (চিত্ত বিনোদন কেন্দ্র) প্রাঙ্গন, খালিশপুর তৈয়্যেবা কলোনী মাদ্রাসা সংলগ্ন ও পিপলস পাঁচতলা বয়স্ক মাদ্রাসা প্রাঙ্গন। ১২নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- প্রভাতী স্কুল চত্ত্বর, রোড নং ১৫, স্যাটেলাইট স্কুল চত্বর, ৩০ নং রোড, হাউজিং তিন তলা, শ্রমিক ভবন চত্বর, বি.আই.ডি.সি রোড ও বায়তুল কেরাম মসজিদ চত্ত্বর, রোড নং-১০৮। ১৩নং ওয়ার্ডে ৬টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- চরের হাট ঈদগাহের পার্শ্বে, কাজী ইমতিয়াজ উদ্দিন সাহেবের বাড়ীর সামনে, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের সামনে, আলমনগর নূরানীয়া জামে মসজিদের পার্শ্বে, ২ নং নেভী গেট, বনফুল কাউন্টারের সামনে বিআইডিসি রোড। ১৪নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- মুজগুন্নি মহাসড়ক, রোড নং-৮ এর মাথায়, বয়রা মধ্যপাড়া জামে মসজিদের সামনে, কাজী আঃ বারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও রায়ের মহল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠ। ১৫নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- হালদার পাড়া (কাউন্সিলর সাহেবের বাড়ীর সামনে), পালপাড়া রোলিং মিল মসজিদ মাদ্রাসার মাঠ, ০১ নং- নেভী গেটের পার্শ্বের মাঠ, ভালুয়ার বিল রোড (বালুর মাঠ, শফিউল্লা ভাইয়ের বাড়ীর উত্তর পার্শ্বে) ও পলিটেকনিক কলেজের ভিতরের মাঠ। ৩নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- জোড়াগেট সি.এন্ড.বি কলোনী মসজিদ চত্ত্বও, বয়রা ফারুকিয়া মাদ্রাসা চত্ত্বর, বয়রা হাজী মুনসুর স্কুল চত্ত্বর ও নূর নগর ইসলাম মিশন মাদ্রাসা চত্বর। ১৭নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- ছোট বয়রা সবুজ সংঘের মাঠ, সোনাডাঙ্গা আ/এ ১ম ফেজ বায়তুল মোকারম মসজিদের সামনের মাঠ, সোনাডাঙ্গা আ/এ ২য় ফেজ মসজিদের মাঠ, ৬ নং রোড, সোনাডাঙ্গা আ/এ ৩য় ফেজ মসজিদের সামনে মাঠ ও সোনাডাঙ্গা হাফিজ নগর আমানত জামে মসজিদের মাঠ। ১৮নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- তালিমুল মিল্লাত খালাসী মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, সবুজবাগ জামে মসজিদ প্রাঙ্গন, মসজিদে ওমর (রাঃ) ঈদগা মাঠ (সোনার বাংলা) ও গল্লামারী কসাইখানা। ১৯নং ওয়ার্ডে ৭টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- নজরুল নগর স্কুল মাঠ প্রাঙ্গন, কেডিএ এভিনিউ ফুজি কালার মোড়, ইসলামাবাদ সরকারী প্রাঃ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠ, ডালমিল মোড় সংলগ্ন ন্যাশনাল স্কুল মাঠ, গোবরচাকা শিশু একাডেমীর মাঠ, কেডিএ এভিনিউ তেতুলতলার মোড় চত্বর ও পল্লীমঙ্গল স্কুল মাঠ। ৩নং ওয়ার্ডে ৬টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে-বাগানবাড়ী জামে মসজিদ চত্বর (আপার যশোর রোড), শেখপাড়া মেইন রোড চত্বর তেতুল তলার মোড়), ফারাজিপাড়া মেইন রোড, দ্বীনওয়ালি জামে মসজিদ চত্বর, শেরে বাংলা রোড পাওয়ার হাউজ জামে মসজিদ এর সামনে, ২০ নং ওয়ার্ড অফিস চত্বর ও দেবেন বাবু রোড, ফেরীঘাট (ইমাম বারার পাশে)। ২১নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে-হেলাতলা রোড স্বর্ণপট্্ির চত্ত্বর, রেলওয়ে স্টেশন, বিশ্ব ইসলাম মিশন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, ৪ নং ফুড ঘাট চত্ত্বর, রেলওয়ে হাসপাতাল রোড, বায়তুন নাজাত মাদ্রাসা চত্ত্বর ও স্যার ইকবাল রোড, এ. হোসেন প্লাজার সামনে। ২২নং ওয়ার্ডে ৩টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- “করোনেশন বিদ্যা নিকেতন” গগন বাবু রোড, ১ নং কাষ্টম ঘাট, খুলনা, কেডি ঘোষ রোড, খুলনা জিলা স্কুল ও হাজী আবু হানিফ মাদ্রাসা ওয়াপদা রোড, নতুন বাজার, খুলনা। ২৩নং ওয়ার্ডে ৩টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- গ্লোক মনি শিশু পার্ক, স্যার ইকবাল রোড, খুলনা, শিশু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ, আহসান আহমেদ রোড, খুলনা ও হ্যামকো কোম্পানীর মাঠ, শামসুর রহমান রোড, খুলনা। ২৪নং ওয়ার্ডে ৩টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- দারুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, মুসলমান পাড়া, খুলনা, ২৪ নং ওয়ার্ড অফিস প্রাঙ্গন, নিরালা আ/এ, খুলনা ও অগ্রনী ব্যাংক টাউন মসজিদ প্রাঙ্গন, গল্লামারী, খুলনা। ২৫নং ওয়ার্ডে ৬টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- বসুপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদ প্রাঙ্গন, ২৫ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন খোলা জায়গা, সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা মাঠ, ইমদাদ খালাসি রাইচ মিলের চাতাল, ইসলাম কমিশনার মোড়ের পাশের মাঠ ও মোলায়মান নগর মিনারা মসজিদ সংলগ্ন। ২৬নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- পশ্চিমবানিয়াখামার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খোলা চত্ত্বর, কাশেমাবাদ জামে মসজিদ খোলা চত্ত্বর, বসুপাড়া বাঁশতলা বরকতিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন খোলা চত্ত্বর, ২৬ নং ওয়ার্ড কার্যালয় চত্ত্বর, শেরেবাংলা রোড। ২৭নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা, পূর্ব বানিয়াখামার, বি.কে মেইন রোড, মারকাজুল উলুম মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠ, বাইতুন নজাত মাদ্রাসা, বি.কে মেইন রোড ও মিস্ত্রীপাড়া পৌর-বাজার। ২৮নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- পশ্চিম টুটুপাড়া প্রাইমারী স্কুল রোড (জানাযা চত্বর), এ.এন দাশ লেন (বিনোদনী চক্ষু হাসপাতাল রোড), টুটপাড়া, বাংলাদেশ মসজিদ ভিশন কমপ্লেক্স ঈদগাহ মাঠ, হাজী রহমত আলী সড়ক, দক্ষিন টুটুপাড়া বালুর মাঠ (আবাসিক এলাকা) ও দক্ষিন টুটুপাড়া ঈদগাহ মাঠ (শরিফাবাদ মসজিদের সামনে)। ২৯নং ওয়ার্ডে ৩টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, কয়লাঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও সবুরননেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। ৩০নং ওয়ার্ডে ৪টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- চানমারী আহম্মাদীয়া এতিমখানা মাদ্রাসা চত্বর, দক্ষিন টুটপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ চত্বর, শেখ মকবুল আহম্মেদ জামে মসজিদ এর পাশে ও টুটপাড়া তালতলা হাসপাতাল চত্বর। ৩১নং ওয়ার্ডে ৫টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। স্পটগুলো হচ্ছে- লবনচরা ইসলামপাড়া ছোট বান্দা, দুই কালভার্টের পার্শ্ব ফাকা জায়গায়, লবনচরা মোক্তার হোসেন সড়কের মধ্যখানে স্কুল ও মাদ্রাসার চত্বরে, মোজাহিদপাড়া আলআমিন জামে মসজিদের সম্মুখে জানাযা চত্বরে, লবনচরা বান্দা বাজার সংলগ্ন ৩১ নং ওয়ার্ড অফিস সংলগ্ন খোলা চত্বর ও জিন্নাহপাড়া শিশুমেলা স্কুল মাঠে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button