রোটারি ক্লাব অব সুন্দরবন নেতৃবৃন্দের “বিজয় তোরণ” ঘুরে দেখা

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ ২০২৪-২৫ রোটারি বর্ষের প্রথম দিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী রোটারি ক্লাব অব সুন্দরবন’র নেতৃবৃন্দ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্রধান গেট “বিজয় তোরণ” এবং ক্যাম্পাসের “অদম্য বাংলাদেশ” পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে খুলনা অঞ্চলের বৃহত্তম বধ্যভূমি গল্লামারির রেডিও সেন্টারের স্থলে প্রতিষ্ঠিত এ অঞ্চলের মানুষের অহংকার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে নবনির্মিত প্রধান ফটক “বিজয় তোরণ” এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে ক্যাম্পাসে নির্মিত ভাস্কর্য “অদম্য বাংলাদেশ” পরিদর্শনকালে ক্লাবের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হয়। সোমবার (১ জুলাই) বিকেলে ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদারের নেতৃত্বে এ পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিচারণ করেন সাবেক এসপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ নুরুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কর্তৃপক্ষীয় উদ্যোগের প্রশংসা করে এ সময়ে বক্তৃতা করেন খুবি’র ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিন এর সিনিয়র প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রোটারি লিডার রোটারিয়ান যথাক্রমে কামরুল করিম বাবু, মফিদুল ইসলাম টুটুল, মোঃ মোস্তফা, মুরশিদুজ্জামান, আইপিপি রোটারিয়ান আবিদা আফরিন, রোটারিয়ান শচীন সাহা, রোটারেক্ট লিডার এস এম রাসেল আমিন, অনিমেষ কুমার গাইন, ক্লাব সেক্রেটারি ধর্মেন্দ্র কুমার অভি প্রমূখ। বক্তৃতা কালে শহীদের সন্তান রোটারিয়ান মফিদুল ইসলাম টুটুল আবেগ আপ্লুতভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক সংগঠিত জেনোসাইড’কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি আদায়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক দায়িত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।


