স্থানীয় সংবাদ

নগরীর সোনাডাঙ্গায় চলছে মাদক ও জুয়ার ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় চলছে রমরমা জুয়ার ব্যবসা। এর পাশাপাশি রয়েছে মাদক কেনাবেচা। নগরীর সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক কেনাবেচা করেন। মাঝে মধ্যে পুলিশের হাতে গুটিকয়েট মাদক বিক্রেতারা আটক হলেও এর মুলহোতারা থাকছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মোঃ অহিদুজ্জামান বলেন, আমি খবর পেয়েছি এক জায়গায় বোর্ড পরিচালনা হচ্ছে। আমাকে তিনদিন সময় দেন। এর মধ্যেই এদেরকে আইনের আওতায় এনে আপনাদেরকে খবর দেবো।
জানা গেছে, নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন এলাকায় সোনাডাঙ্গা-গল্লামারি রোডের আলীর ক্লাবের পাশ দিয়ে গলির মাথায় চলছে জুয়ার বোর্ড। দিন-রাত চালানো হয় জুয়া। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের সামনেই এ সকল জুয়া ও মাদকের ব্যবসা চলে আসছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ। জুয়ার পাশাপাশি চলে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। কেএমপি কমিশনারসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সভা সমাবেশে উল্লেখ করেন শহওে কোন জুয়ার আসর চলতে দেয়া হবে না। অথচ প্রকাশ্য দিবালোকে এই বোর্ড চললেও স্থানীয় প্রশাসন পুরোটাই নিরব। তবে কোন প্রকার অভিযান না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। জুয়ার বোর্ডের একটি সূত্র দাবি করেছে, একেবারে ময়ুর নদীর গা ঘেঁেষ অনেকটা দুর্গম এলাকায় চলে বোর্ড। রাত হলে এখানে আড্ডা জমে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের। এখানে কাচ্চু, হাইড্রো গেম ও হাউজিসহ তিন ধরনের খেলা পরিচালনা করা হয়। অনেকেই জুয়ায় আসক্ত হয়ে সব অর্থ খুঁইয়ে সর্বশান্ত হয়ে বাড়ি ফেরে। আবার অনেকেই বাড়িঘর ভুলে ডুবে থাকে নেশায়। আলীর ক্লাব সংলগ্ন ওই এলাকায় প্রায়ই জুয়াড়ীদের স্ত্রী-সন্তানদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। স্বজনদেও খোঁজে এলেও তাদের ক্লাবের ভেতর প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। অপমান-অপদস্থ করে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। কেউ প্রতিবাদ করলে র‌্যাব-পুলিশকে ম্যানেজ করেই তারা জুয়ার বোর্ড চালায় বলে পাল্টা হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ জুয়ার কারণে নিঃস্ব হচ্ছে অনেক পরিবার। অবিলম্বে জুয়া বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অপরদিকে সোনডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা পুলিশ-প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে বিক্রি করছে বিভিন্ন মাদক। মাঝে মধ্যে পুলিশের অভিযানে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করলেও মুলহোতা থাকছেন ধরাছোয়ার বাইরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button