খুলনায় ব্যাংক খোলার প্রথম দিনেই টাকা উত্তোলনের হিড়িক

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ব্যাংক খোলার প্রথম দিনেই গ্রাহকের টাকা উত্তোলনের হিড়িক পড়ে যায়। বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষ বেশী দেখা যায়। অনেকে টাকা না পেয়ে ফেরৎ গেছেন। লিটন নামের একজন গ্রাহক বলেন, তিনি সোনালী ব্যাংক পিকচার প্যালেস মোড় শাখায় ৩০ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য যান। এ সময় টাকা উত্তোলনকারীদের দীর্ঘ লাইন দেখে তিনি ম্যানেজারের নিকট যান। ম্যানেজার পূর্ব পরিচিত হওয়ায় গ্রাহককে নিজ কক্ষে বসিয়ে রেখে ম্যানেজার নিজে গিয়ে ক্যাশ থেকে চেকের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা উত্তোলন করে দেন। লিটন আরো বলেন, এ সময় গ্রাহকদের চেচামেচি শুনা যায়। কেউ কেউ টাকা উত্তোলন করতে না পেরে বকাঝকা করতে করতে ফিরে যান। লিটন বলেন, গত কয়েক দিনের দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে পকেটের টাকা শেষ হয়ে গেছে। আবারও কি হয়, তাই সংকটে পড়ার আগেই কিছু টাকা উত্তোলন করে রাখলাম। যাতে সংকটে কাজে লাগাতে পারি। ব্যাংক এশিয়া বড় বাজার শাখার কর্মকর্তা তন্ময় জানান, বিগত দিনের চেয়ে বুধবার টাকা উত্তোলনকারী গ্রাহকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশী ছিল। কারণ গত কয়েক দিন ব্যাংক বন্ধ থাকায় এ অবস্থা হয়েছে বলে তিনি জানান। ব্র্যাক ব্যাংক যশোর ক্লাস্টার ম্যানেজার রেজওয়ান ওয়ালিদ বলেন, দেশের সংকটের কারণে অনেকে আতংক হয়ে টাকা উত্তোলন করছেন। এ সময় তাদের চোখে মুখে উদ্বিঘেœর ছাপ দেখা যায়। যারা টাকা উত্তোলন করেছেন তারা সেভিং বা কারেন্ট একাউন্ট হোল্ডার। বড় কোন পাটি টাকা উত্তোলন করতে দেখা যায়নি। তাছাড়া তারা বুধবার ৫০ ভাগ ব্যাংকে লেনদেন করেছেন। সব শাখা খোলেননি। এ জন্য গ্রাহকের ভীড় হতে পারে। তবে কেউ টাকা উত্তোলন করতে এসে টাকা না উত্তোলন করে ফিরে গেছেন এমন নজির তাদের ব্যাংকে নেই বলে এই কর্মকর্তা দাবি করেন।


