স্বাভাবিক পর্যায়ে খুলনার জনজীবন : আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ খুলনায় স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে জনজীবন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলার বেশ উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সদস্যদের পাহারায় খুলনা মেট্রোপলিটন থানার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া সড়কে সেনাবাহিনীসহ নৌ বাহিনী বিজিবির সদস্যরা টহল দিচ্ছে। গেল কয়েকদিন যাবৎ সাধারণ মানুষের মধ্যে যে অজানা আতংক ছিল তা কাটতে শুরু করেছে। নগরীর সড়ক গুলোতে ট্রাফিক কার্যক্রম শুরু করেছে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নগরীর দেয়ালে বিভিন্ন শ্লোগানে দৃষ্টিনন্দন লিখন দিয়ে জানান দিচ্ছে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা নগরীরর বিভন্ন বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাকি পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছেন। মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে। রাত্র হলে পাড়া-মহল্লা গুলোতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠণের মাধ্যমে পাহারা দেয়া হচ্ছে যেন কোথাও কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার সূত্রপাত না হয়। পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরসহ অন্যান ধর্মাবলম্বিদের উপসনালয় গুলোতে দেয়া হচ্ছে পাহারা। যদিও বা খুলনায় এখনও পর্যন্ত কোন সাধারণ সংখ্যালঘুরা নির্যাতন হয়নি বা এমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নগরীর ব্যাংকপাড়া, আদালত পাড়াসহ অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সহ অন্যান্য বাণিজ্যিক এলাকায় ছিল মানুষের আনাগোনা। এ বিষয়ে কথা হয়, সচেতন নাগরীক মোঃ আরাফাত হোসেন এর সাথে তিনি বলেন, অতিত ভুলে এখন সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নতুন ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ গড়ব। আমরা সবাই মিলে যদি দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে পারি পারি তাহলে আমাদের এই ছোট সোনার দেশ হবে এশিয়ার মধ্যে সব থেকে শান্তিপুর্ণ আধুনিক দেশ। এই ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আমাদের যে স্বাধীনতা উপহার দিয়েছে। আমরা তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবই মিলে এই সোনার বাংলাকে সোনা হিসেবে গড়ব। বিশ^বাসীকে দেখিয়ে দিতে চাই আর কোন মানুষের সাথে প্রতিহিংসামূলক কাজ করব না। যা গেছে সব ভুলে যাব। এছাড়া রাষ্ট্রের যে ক্ষতি হয়েছে তার পূরণ করব সবাই মিলে এক সাথে। এ বিষয়ে কথা হয় রিক্সাচালক মোঃ মজনু মিয়ার সাথে তিনি বলেন, গেল কয়েকদিন যাবৎ সড়কে কোন যাত্রী ছিলনা। আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে ধার দেনা হয়ে চলেছি। গত শনিবার, রবিবার সড়কে যাত্রীর দেখা পাওয়া গেছে। এই কয়েকদিন আমি ৭ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে। পুরাতন কথা আর মনে রাখতে চাইনা। আশা করি আগের মত যেন সব কিছু স্বাভাবিক হয়। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী সৌরভ বলেন, এই দেয়াল লিখনের মাধ্যমে আমরা নতুন সোনার বাংলা গড়ব। আর কোন প্রতি হিংসা হবেনা আমার দেশ আমাদের এই বাংলাদেশে আমরা সবাই এক সাথে। এছাড়া আমরা রাজ পথে আছি সব সময় থাকবো সবার পাশে।



