নগরীর সড়ক দখল হকারদের

যানযট, দুর্ভোগে পথচারিরা
শেখ ফেরদৌস রহমান : নগরীর ডাকবাংলা মোড়সহ বিভিন্ন বাজার এলাকায় সড়ক দখল চলাচলের পথ বন্ধ করে চলছে ভ্রাম্যমাণ হকারদের বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা। আর এতে করে করে হরহামেশা যানযটের শিকার হচ্ছে নগরবাসী ও সাধারণ পথচারিরা।
নগরীর ডাকবাংলা মোড় এলাকা দেখা এমন চিত্র ব্যাস্ততম এই এলাকায় রয়েছে শত, শত হকারদের দোকান। এতে করে তৈরি জানযটে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময়।জানাযায় কতিপয় অসাধু ব্যবসায়িরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব হকারদের নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া যার দোকানের সামনে তাকে দৈনিক একটি অর্থ দিয়ে তারা এই ব্যাবসা পরিচালনা করছে। রিক্সা-ভ্যানসহ একটি যানবহন চলাচলের জায়গা টুক থাকেনা। এছাড়া হরহামেশা ছোট, বড় দুর্ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা থাকছে নিরব।
জানাযায়, এসব ফুটপাত দখল করে একসময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,ও রাজনৈতিক নেতারা, পুলিশ প্রশাসন মদদে ফুটপাত ব্যবসা চালিয়ে গেছে হকাররা। তবে, সরকার পতন হলেও আগের মত সব কিছু চলছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ জামিরুল বলেন, ভাই নগরীর ডাকবাংলা ও তার আশেপাশে সড়ক অর্ধেকের বেশি দখল করে রেখেছে হকারেরা।চালচলে মারাত্মক বিঘœ ঘটছে। মূলত এসব হকারদের দোকান ঘিরে রাখে আরও চার,পাচজন উৎসুক ক্রেতা। এদের জন্য সড়ক আরও বেশি ছোট হয়ে যায়। আপনি যখনই মার্কেট গুলো আসবেন দেখবেন যানযট। এর প্রধান কারণ হলো হকারেরা সড়ক দখল করে রাখা। এর আগে বেশ কয়েকবার করে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে হকার দখলমুক্ত সড়ক ব্যবস্থপনা করলেও আবারও পুণরায় দখল হয়ে গেছে। এদেরকে কারা এত আস্কারা দিচ্ছে আর প্রশাসন বা কেন কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেনা। এক সময়ে হকারদের উপার্জন কথা ভেবে কিন্তু কেসিসি, হকার মার্কেট তৈরি করে দিয়েছে। যেখানে সড়ক দখল করে রাখা হকারদের মার্কেট নামকরণ করা হয়। তারপরও আবারও সড়ক দখল করে জানযট তৈরি করে রেখেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এসব হকারেরা সড়ক দখল করে ফলমুল বিক্রি করছে, আবার কেউ পোশাক, জুতা, স্যান্ডেল, বেল্ট, সরবত, রান্নার আইটেম কুকারী পণ্য সামগ্রী। এছাড়া কেএমপি, কর্তৃক কঠোর নির্দেশ যে কোন ধরনের ইজিবাই মার্কেট পাড়া ডাকবাংলা এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেনা। তারপরও কোন নির্দেশনা মানছেনা।
এ বিষয়ে কথা হয় হকার মোঃ জামাল উদ্দিনের সাথে তিনি বলেন, ভাই পিছনের দোকানদারকে কিছুর টাকা দেওয়া লাগে। এখানে কম দামে পণ্য পাওয়া যায় তাই ক্রেতা জমায়েত বেশি। এখন সড়ক তো এমনিতে ছোট আরা অতিরিক্ত মানুষ চলাচল করলে তো যানযট তৈরি হবে। এখন আমরা কি করব এই ব্যবসা করে উপার্জন ছাড়া অন্য ব্যবসা বুঝিনা। বা ভেতরে মার্কেটে দোকান পজিশন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করার সামর্থ নেই।
এ বিষয়ে খুলনা ট্রাফিক বিভাগের ডিসি অতিরিক্ত দায়িত্ব মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা অবৈধ ইজিবাইক ও হকারমুক্ত সড়ক ব্যবস্থপনার জন্য কার্যক্রম শুরু করছি। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



