যশোরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা : লম্পট গ্রেফতার

যশোর ব্যুরো ঃ তরিকুল ইসলাম ওরফে মিঠু (৩৫) নামে এক লম্পট ৫ বছরের এক শিশুকে কোলে তুলে নিয়ে মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও দেখানোর এক পর্যায় ধর্ষনের চেষ্টা চালিয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির নানা শনিবার দিবাগত গভীর রাতে লম্পট তরিকুল ইসলাম ওরফে মিঠুর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩,তৎসহ ৮(৪) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ মোতাবেক মামলা দিয়েছে। মিঠু যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা (মন্ডলপাড়া) বর্তমানে যশোর সদর উপজেলার ভেকুটিয়া কলোনীপাড়া জনৈক শহিদ আলম এর বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত ফজের আলীর ছেলে।
মামলায় শিশুটির নানা উল্লেখ করেন,তার মেয়ে ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকুরী করে। মেয়ের শিশু মেয়ে (৫) তার কাছে থাকে। উক্ত বাড়িতে লম্পট তরিকুল ইসলাম ওরফে মিঠু ভাড়া থাকে। সেই সুবাদে মিঠু বাদির পূর্ব পরিচিত। সে বাদির পূর্ব পরিচিত হওয়ায় নাতি প্রায় সময় আসামীর ভাড়া বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো। বাদির মেয়ে ঢাকায় গার্মেন্টেস্ েচাকুরী করার সুবাদে তার শিশু মেয়ে বাদির সাথে থাকে। গত ২২ মার্চ শনিবার রাত অনুমানি সাড়ে ৭ টার সময় বাদি নামাজ আদায় করছিলেন। লম্পট উক্ত বাড়ির মালিকের রান্নাঘরের মধ্যে মোবাইলে থাকা অশ্লীল ভিডিও দেখছিল। ওই সময় বাদির শিশু নাতী (৫) উক্ত বাড়ির রান্না ঘরে গেলে লম্পট মিঠু তার মোবাইলে থাকা অশ্লীল ভিডিও শিশুটিকে দেখায়। এক পর্যায় তার যৌনকামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তার নাতিকে লম্পট তার কোলে বসিয়ে তার পরনের প্যান্ট খোলে এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় ও যৌনাঙ্গে আঙ্গুল দেয়। বাদি নাজাম শেষ করে জানালা দিয়ে উক্ত ঘটনা দেখতে পান। বাদির নাতি ব্যথা অনুভব করলে চিৎকার দিতে চাইলে লম্পট শিশুটির মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক ধর্ষন করার চেষ্টা করতে থাকলে বাদির নাতি কান্নাকাটি করে। তখন বাদি বুঝতে পেয়ে ডাক-চিৎকার দিলে লম্পট শিশুটিকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে লম্পট মিঠুকে আটক করে। পরে পুলিশে সোপর্দ করে। শিশুটিকে অসুস্থ্য অবস্থায় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন লম্পট মিঠুর মোবাইল দু’টি হেফাজতে নিয়ে পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। রোববার ২৩ মার্চ লম্পট মিঠুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশুটির ২২ ধারার জবানবন্দি গ্রহন করা হচ্ছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


