তরমুজ হাক-ডেকে বিক্রি হলেও আগ্রহ নেই ক্রেতাদের

# পাইকারী বাজার থেকে দিগুণ দামে বিক্রি খুুুুুুচরা পর্যায়ে
শেখ ফেরদৌস রহমান: তরমুজ এখন হাক-ডাক করে বিক্রিকরলেও নেই ক্রেতাদের সাড়া। এছাড়া পাইকারী বাজার হতে পিস বা শ হিসেবে ক্রয় করে খুচরা পর্যায়ে ওজনে দিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে অলে অভিযোগ রয়েছে। গেল দশ দিন আগেও খুলনা, বরিশালের পটুয়াখালি, কুয়াকাটার উৎপাদিত এই তরমুজের দাম নাগালে ছিলনা ক্রেতাদের। এবছর পবিত্র রমজানে ও তিব্র গরমের মধ্যে ইফতারিতে চাহিদা ছিল খুলনা দক্ষিণাঞ্চলের রসালো আর মিষ্টি তরমুজের। তবে রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা থাকায় অসাধু ব্যাবসায়িদের সিন্ডিকেটে ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম আদায় করার অভিযোগ পাওয়া যায়। খুলনা জেলার দাকোপ, বটিয়াঘাটা অঞ্চলের তরমুজ এখন বিক্রি হয় ভ্যানে করে হাক-ডাক ছেড়ে ; নেই ক্রেতাদের আগ্রহ। এমনটি জানিয়েছে খুচরা বিক্রেতারা। এদিকে রমজান মাসে অতিরিক্ত দাম দিয়ে ক্রেতারা তরমুজ ক্রয় করেছেন যার প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। তবে বর্তমান বাজার চিত্র উল্টো হয়ে গেছে। ভ্রাম্ম্যমান ভ্যানে মাইকিং করে বিক্রি করলেও আসছেনা ক্রেতা। এবিষয়ে খুচরা তরমুজ ব্যবসায়ি কালাম হোসেন বলেন, নগরীর কদম তলা এলাকায় পাইকারী তরমুজের বাজারে এখনও বেশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। আর এখান থেকে আমরা খুচরা ব্যবসায়িরা ক্রয় করে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। তবে অধিকাংশ এসব তরমুজের সাইজ একটু ছোট হলেও খুব মিষ্টি আর রসালো। কিছুদিন আগেও এই তরমুজের কেজি ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি দর ছিল। এখন দাম নাগালে থাকলেও নেই ক্রেতা। এছাড়া বড় ৩ থেকে ৪ কেজি তরমুজের সাইজ পাওয়া যাচ্ছেনা। এবিষয়ে কথা ক্রেতা মো. ফয়সাল হোসেনের সাথে তিনি বলেন, ভ্যানে করে ছোট একা-ব্যাকা সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। এসব তরমুজ কিছু কিছু খেতে ভাল লাগলেও সব তরমুজ আবার রসালো বা মিষ্টি না। বিক্রেতারা তরমুজ কেটে বিক্রি করছেনা। যে কারণে ক্রেতারা না দেখে ক্রয় করতে ভয় পাচ্ছে। তবে কদমতলা পাইকারী বাজার থেকে পিস হিসেবে তরমুজ ক্রয় করছে। আর দ্বিগুণ দামে ওজনে খুচরা বিক্রেতারা বিক্রি করছে। খুলনা দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল বলেন, খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চলের দাকোপ এলাকায় সব থেকে বেশি তরমুজের আবাদ হয় এবকছর প্রায় ৮ আজার ১০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এছাড়া খুলনা জেলায় মোট এবছর প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে।এ বিষয়ে পাইকারী তরমুজ ব্যাবসায়ি আলমগীর হোসেন বলেন, ভ্যানে করে যে সব ছোট সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে এগুলো সব ক্যাট তরমুজ বলা হয়। ঢাকার থেকে বড় মহাজনেরা বড় সাইজের তরমুজ ক্ষেতের থেকে ক্রয় করে। আর যেসব ছোট সাইজের ক্যাট তরমুজ সেগুলো থামকো দামে বিক্রি করে। তবে এসব তরমুজ যে নষ্ট বা খাওয়া যায়না এমনটি না কিছু তরমুজ খুবই রসালো আর মিষ্টি আর কিছু হয়তো ভিতরে সাদা মিষ্টি কম। তবে কিছু জায়গায় এখনও আবাদে তরমুজ ছোট আছে। সেসব আবাদ থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে তরমুজ উঠিয়ে ফেলছে। যে কারণে তরমুজের আকার ছোট।



