নগরীর ছোট বয়রায় মন্দিরকে পুঁজি করে একটি মহল জাতিগত দাঙ্গা বাধাতে তৎপর :

# স্কুলের জায়গা দখলের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা #
স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনায় মন্দিরকে পুঁজি করে একটি চক্র জাতিগত দাঙ্গা বাঁধানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এ অপচেষ্টা প্রতিবাধে শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা আয়োজন করে। শুক্রবার সকালে নগরীর ছোট বয়রা মনীন্দ্ররায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এলাকার বাসিন্দা মতিয়ার রহমান। এ সময় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন এসএম কবিরুল ইসলাম, আঃ ওহাব বুলবুল, এসএম জামিল, আঃ মালেক, মোঃ হানিফ, দিদারুল ইসলাম, আকরাম মোড়ল, ওহেদুর রহমান অর্গ, বাদল হোসেন, তরিকুল ইসলাম, সাহেব আলী, বজলুর রহমান, মারুফ হোসেন, মোঃ মাসুদ, জাহাঙ্গীর হোসেন, আঃ রহমান, লুৎ ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, শ্যামল চন্দ্র মন্ডল প্রমূখ। সভায় বক্তারা বলেন, নগরীর ছোট বয়রা মনীন্দ্ররায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই-এর মত দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করে আসছে। এ যাবৎ কখনও জাতীগত বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু এলাকার কতিপয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নগরীর ছোট বয়রা মনীন্দ্রনাথ মন্দিরকে পুঁজি করে জাতিগত দাঙ্গা বাঁধাতে অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এখানে নগরীর ছোট বয়রা মনীন্দ্ররায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরের জমি নিয়ে স্কুল কমিটি ও মন্দির কমিটির মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। যা নিয়ে বিগত দিনে নানা ধরনের বির্তকের জন্ম দিয়েছে। দুঘর্টনা এড়াতে স্কুলের কোণার ভাউন্ডারী ওয়াল ভেঙ্গে রড দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে। অথচ মন্দির কমিটি বলছে, তাদের ওয়াল ভাঙ্গা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। উল্টো মন্দির কমিটি স্কুলের জায়গা দখল করে রেখেছে। স্কুলের মাঠে বেড়ে ওঠা আগাছা পরিস্কার করে শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ প্রস্তুত করা হলেও মন্দির কমিটি তা নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। স্কুলের সামনের দোকানদার সাবেক শিক্ষক শ্যামল চন্দ্র মন্ডল বলেন, স্কুলের কর্ণারে যে ভাউন্ডারি ওয়াল ছিল তার দুর্ঘটনার জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। স্কুল কমিটি ওই ভাউন্ডারি ওয়াল ভেঙ্গে আসন্ন দুর্ঘটনা থেকে পথচারিদের রক্ষা করেছে। তারা এ কাজটি খুবই ভাল করেছে। কিন্তু মন্দির কমিটি যে দাবি তুলেছে তা মিথ্যা বলে তিনি দাবি করেন। কারণ এই ওয়ালটা স্কুলের। সুতরাং মন্দিরের ওয়াল বলার কোন সুযোগ নেই। শিক্ষক এসএম জামিল বলেন, মন্দির কমিটি প্রাইমারী স্কুলের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে লেখেছে। বারবার বলা সত্বেও তারা স্কুলের জায়গা থেকে সরে যাচ্ছে না। উল্টো বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা কথা বলে জাতিগত দাঙ্গা বাধাতে চেষ্টা করছে তারা। তারা উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে এলাকার হিন্দু-মুসলিমের শান্তি শৃংখলা নস্ট করার চেষ্টা করছে। এমন কি জেলা প্রশাসকের এসি ল্যান্ডের নেতৃত্বে স্কুল মাঠ প্রস্তুত করা হয়। তাও নিয়ে তাদের মিথ্যাচার শেষ নেই। মাঝে স্কুল কমিটি স্কুলে পিকনিকের আয়োজন করে। তখন মন্দির কমিটি পুলিশ খবর দিয়ে আনলেও পুলিশ এসে বিষয়টি দেখে স্কুল কমিটির সাথে খেয়ে যায়। উল্টো পুলিশ মন্দির কমিটিকে ধিক্কার জানায়।



