যশোরে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী কর্তৃক বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী ধর্ষণ : লম্পট যুবক গ্রেফতার

যশোর ব্যুরো ঃ
এক কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিক বার ধর্ষন করার অভিযোগে কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে মামলাটি করেন ধর্ষিতার শিকার কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী (২৫)। মামলায় আসামী করেন,যশোর শহরের খড়কী ষ্টেডিয়ামপাড়ার আব্দুল হালিম রোড এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী ওরফে শাওন (৪৫)। পুলিশ ধর্ষক শাওনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলায় কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, তিনি যশোরের বাইরের জেলার বাসিন্দা। তিনি যশোর এমএম কলেজে লেখাপড়া করে। লেখপাড়ার জন্য শহরের সার্কিট হাউজ পাড়ার এক বাড়িতে থাকতেন। ইদ্রিস আলী ওরফে শাওন পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রী। গত অনুমান ৭ মাস পূর্বে ধর্ষক কলেজ পড়ুয়ার বর্তমান ঠিকানায় ইলেকট্রিক কাজে আসে। সেখান থেকে তার সাথে পরিচয়। পরিচয়ের এক পর্যায় উক্ত কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কৌশলে তার মোবাইল নাম্বার নেয়। তার পর থেকে মাঝে মধ্যে মোবাইলসহ ওয়াটসআপে কল দিতো। এভাবে এক পর্যায় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৪ জুন সন্ধ্যা অনুমান ৭ টার সময় বর্তমান ঠিকানায় ভাড়াটিয়া বাসার নিচ তলায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক একাধিক বার ধর্ষন করে। পরবর্তীতে বিয়ের কথা বললে সে বিয়ে করবে না বলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখাতে থাকে। কিছুদিন পর আবার উক্ত যুবক বিয়ে করবে বলে জানায়।বাদির সাথে পূর্বের ন্যায় যোগাযোগ করতে থাকে। গত ১৭ জুন বেলা ১১ টার সময় শহরের পিটিআই স্কুলের পাশে দোতলা বিশিষ্ট জনৈক রহিমা বেগম এর ভাড়া বাসার নিচতলায় বাদিকে যাওয়ার জন্য বললে বাদি সেখানে যায়। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিক বার ধর্ষন করে। পরে বিয়ের কথা বললে বিয়ে করবে না বলে বাদিকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। পরবর্তীতে বাদি বুঝতে পারে উক্ত যুবক বিয়ে করবে না । বাদির সাথে প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। ঘটনার বিষয় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বাদি তার নিকটতম আত্মীয়স্বজনদের সাথে আলাপ আলোচনা করে কোতয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার এসআই মিনারা আলম শুক্রবার দিবাগত গভীর রাত লম্পট ইদ্রিস আলী ওরফে শাওনকে নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করে। শনিবার ২৮ জুন দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।



