গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এক নারীর সংবাদ সম্মেলন

োবাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ ফেসবুকের মাধ্যমে সম্পর্ক, বিয়ের প্রলোভনে অনৈতিক মেলামেশা, অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়া, গর্ভের সন্তান নষ্ট করাসহ নানাবিধ অভিযোগ নিয়ে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফাতেমা বেগম নামের একজন নারী। বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্ভুজ বারাকপুর এলাকার সেখ ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে ফাতেমা বেগম শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে লিখিত বক্তব্য ও সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় বাগেরহাটে কর্মরত গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল শেখ লিমনের সাথে। পরিচয়ের সূত্রধরে প্রেমভালোবাসা এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভনে পড়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমতাবস্থায় সে অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার পর সেখ লিমন তাকে বাগেরহাট হাসপাতালে নিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেয় এবং বিয়ে করতে অপরগতা প্রকাশ করে। বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ী করলে ইয়াবা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হবে বলে সেখ লিমন হুমকী দেয়। এ ঘটনা নিয়ে ফাতেমা বেগম তার পরিবার থেকেও নানাভাবে অবহেলার স্বীকার হন। উপায়ন্তর না পেয়ে ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে বাগেরহাট আদালতে নারী ওশিশু নির্যাতন দমন আইনে সেখ লিমনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনা বিষয়ে ফাতেমা বেগম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি কে জানান। এ দিকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য সেখ লিমনের পক্ষে বাগেরহাটের কতিথ সাংবাদিক হায়াত উদ্দিন এবং জেলা শহরের সোনাতলা এলাকার মৌসুমী ও নেহা নামের দুই নারী অর্থের প্রলোভনসহ নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। এমনকি হত্যারও হুমকী দিচ্ছে এরা। তাই সব মিলিয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনায় এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছি। যাতে সেখ লিমন তাকে স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং আমাকে হুমকীদাতা হায়াত উদ্দিন, মৌসুমী ও নেহা কে আইনের আওতায় নেয়া হয়। গোয়েন্দা পুলিশ কনস্টেবল সেখ লিমনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা বিষয়ে বাগেরহাট পুলিশ অফিসের ডিআইও-১ মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনা গোয়েন্দা পুলিশের ওসিসহ পুলিশ সুপার কে অবগত করা হয়েছে।
