স্থানীয় সংবাদ

কারাগারে খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিংয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিলো

# দোয়া মাহফিল আনুষ্ঠানে বিএনপির বক্তারা #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ প্রায় চার দশক ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনে খালেদা জিয়া অন্যতম জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন; যিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কখনও নির্বাচনে পরাজিত হননি। তাকে কারাগারে স্লো পয়জনিং এর মাধ্যমে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল উল্লেখ করে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, পতিত খুনি হাসিনা সরকার মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো মামলায় অন্যায়ভাবে বন্দী রাখার কারণে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ গুরুতর অসুস্থ। অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট সরকার শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় কেডি ঘোষ রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ¦ রকিবুল ইসলাম বকুলের সুস্থতা কমনায় দোয়া মাহফিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা এসবব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। তার প্রধানমন্ত্রীত্বকালে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে পরিণত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদে কিছু বড় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। কর্মসংস্থানের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এই সময় এবং শুধুমাত্র তৈরি পোশাকশিল্প খাতেই পাঁচ বছরে কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ছিল ২৯%। ক্ষমতায় থাকাকালীন, খালেদা জিয়ার সরকার বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের জন্য একটি শিক্ষা “উপবৃত্তি” এবং শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য খাদ্য প্রবর্তন করে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছিল। তার সরকার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করে এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করে। বেগম জিয়া কোনো আসনেই পরাজিত না হওয়ার অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনগুলোতে পাঁচটি পৃথক সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। বক্তারা আরো বলেন, ২০০৯ সাল থেকে যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত করে, তখন তিনি গণতন্ত্রের জন্য তার লড়াই নতুন করে শুরু করেছিলেন। সরকার তাকে জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে বের করে দেয় এবং গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দুইবার গৃহবন্দী করা হয়ে। গণতন্ত্রের প্রতি তার ভূমিকার জন্য তাকে ২০১১ সালে নিউ জার্সির স্টেট সিনেট “গণতন্ত্রের জন্য যোদ্ধা” উপাধিতে সম্মানিত করে। মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, শেখ সাদী, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, জুলফিকার আলী জুলু, জিয়াউর রহমান পাপুল,
মুর্শিদ কামাল, এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ আলী, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, মোঃ হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, আসাদুজ্জামান আসাদ, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসির উদ্দিন, সৈয়দা নার্গিস আলী, ইসতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মুন্তাসির আল মামুন, আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, আলমগীর হোসেন তালুকদার, মিজানুর রহমান মিলটন, রকিবুল ইসলাম মতি, এ্যাড. হালিমা আক্তার খানম, আনজিরা খাতুন, নিঘাত সিমা, আহসান মৃধা খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজান, ইফতেখার হোসেন বাবু, মাসুদউল হক হারুন, গাজী আফসার উদ্দীন, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ,মোঃ ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, কাজী মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ আবুল ওয়ারা, মোঃ কামরুজ্জামান রুনু, মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা। অহসান হাবিব বাবু, বাবুল রানা, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, হেলাল ফরাজী, নুরুল হুদা পলাশ, সৈয়দ তানভীর আহমেদ, আরিফুর রহমান আরিফ, সৈয়দ ইমরান, ইয়াছিন গাজী, শাকিল হোসেন, আরিফ মোল্লা তূর্য, ইমরান সালেহ সিফাত, সামসাদ আবিদ, এস এম আলমগীর হোসেন,আরিফুল ইসলাম, ফারহান জামান, মুশফিক সালেহীন টিপু, নেওয়াজ শরীফ, রিফাত, নাজমুস সাকিব, মাহিন রহমান, সাহিল, মেহেদী হাসান, সাইফুর রহমান হাইসাম প্রমূখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন
Close
Back to top button