স্থানীয় সংবাদ

ইউনিয়ন যুবদল সভাপতির ওপর হামলাকে নাটকীয় কায়দায় ভিন্ন খাতে নেয়ার অপচেষ্টা

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির ওপর হামলাকে ভিন্ন খাতে চালানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে একটি কূ-চক্রী মহল। গত ২৯ জুলাই হত্যার উদ্দেশ্যে ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম বাদলের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা নিজেরাই নাটকীয়তায় উল্টো হামলার অভিযোগ করছে। এ নিয়ে দুই পক্ষই সংবাদ সম্মেলন এবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। খুলনা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় হামলার শিকার ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি ওহিদুল ইসলাম বাদলের ছোট ভাই মো: আব্দুল হাওলাদার এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে নিজস্ব মোটরসাইকেল যোগে বাদল দারোগাভিটা রোড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় পথিমধ্যে ১নং জলমা ইউনিয়ন বিএনপি সমম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব মো: আছাবুর রহমান হাওলাদার শান্তিনগর তার অফিসের সামনে থেকে বাদলকে দাড়াতে বলে। কিন্তু বাদল না দাড়িয়ে হাতের ইশারায় পরে বুঝালে আছাবুর তখন ্ওকে ধর বলে চিৎকার করলে উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যগ্ম আহ্বায়ক আজমল হোসেন লিটন এবং তার সহযোগী সন্ত্রাসী বাপ্পী জমাদ্দার, সাদ্দাম হোসেন, রাকিব শিকদার ও মো: আজিমসহ অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫জন হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে লিটন প্রথমে পিছন দিক দিয়ে মাথার পিছনের সাইডে কোপ দেয়। এরপর সামনে থেকে দৌড়ে আসে সাদ্দাম ও লিটনের সহযোগিরা। এ সময় তার চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি সেখানে এখনো চিকিৎসাধীন আছেন। তার মাথার পিছনে ৩টা ও নাকের ওপর ১টা সেলাই লেগেছে।
তিনি আরো বলেন, এর পরের দিন আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন গণ মাধ্যমে তারা বাপ্পী জমাদ্দারকে নাটকীয়ভাবে বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর তারা বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সিকে উল্টো দোষারোপ করেন। কিন্তু ুএল্লখিত ঘটনার সময় বাহাদুর মুন্সি উনার মেয়েকে নিয়ে শিশু হাসপাতালের ওয়ার্ডে ছিলেন যা হাসপাতালের সিসি ফুটেজ দেখলে জানা যাবে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি তিনি আবেদন জানান। সেই সাথে জেলা বিএনপি, জেলা যুবদল ও উপজেলা বিএনপির কাছে বিনীত অনুরোধ জানান ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার।
উল্লেখ্য, উক্ত ঘটনার জেরে ৩০ জুলাই উভয়পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button