যশোর উপশহর ই ব্লকের ১নং সড়ক একটু বৃষ্টিতে সম্পূর্ণ চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে

মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে ঃ যশোর শহর থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার উত্তরে যশোর মাগুরা সড়কের বাইলেন উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত চলাচলের একমাত্র সড়কটির বেহালদশা। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শিল্প অঞ্চলের কার্ভাডভ্যান,ট্রাক,মিনিট্রাকসহ কয়েকশ’ যানবাহন চলাচল করে। বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে এই সড়কের উপর পিচ,খোয়ার রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েন। পানি নিষ্কাশনের অভাবে এই সড়কটি একটু বৃষ্টি নামলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন চাকুরীজীবি,স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা পড়–য়া শিক্ষার্থী চলাচল করেন। এই সড়কে ব্যাটারী চালিত রিকশা ও অটো রিকশার চেয়ে ভয়ংকর বিভিন্ন কার্ভাডভ্যানসহ বিভিন্ন পন্য বোঝাই কাভার্ডভ্যান। প্রতিদিন সড়ক দিয়ে বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারী,স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা গামী শিক্ষার্থীরা চরম ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। যশোর শহরের প্রাণ কেন্দ্র দড়াটানা থেকে এই সড়কের অবস্থান সর্বোচ্চ দেড় কিলোমিটার হলেও যশোর হাউজিং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাথা ব্যাথা নেই। প্রতিদিন খানা খন্দে নিমজ্জিত উপশহর ই ব্লক ১নং সড়কের বেহালদশা থেকে কাহারও রক্ষা নেই। এই সড়ক দিয়ে চলাচলরত যশোরে কর্মরত বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচাল করেন। এই সড়কের উপর দিয়ে উপশহর শিল্প প্লট অবস্থিত। এই সড়কে চলাচলরত ৫টন থেকে ১৫ টনের অধীক যানবাহন দিনের পাশাপাশি রাতে ও চলাচল করে। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,বিগত ১ মাসের অধীক সময় ধরে উপশহর ই ব্লকের ১ নং সড়ক বেহালদশা থেকেউত্তরনে কেউ এগিয়ে আসেনি। অথচ এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত শিল্প প্লটের বড় ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এই সড়কে ই ব্লক বাসা নং ১ থেকে ৯ নম্বর বাসা পর্যন্ত সামনে খানা খন্দে নিম্মজিত সড়কের উপর করা খোয়া,পিচ ও বালু নেই বললে চলে। এবার বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে এই সড়কে উক্ত বাড়ির সামনে হাটু পানি দিয়ে সব সময় বিভিন্ন পেশার মানুষ চলাচল করে।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে চলতে গিয়ে অনেক রিকশা যাত্রী নিয়ে উল্টে আহতর খবর পাওয়া গেছে। এই সড়কে মোটর সাইকেল যাত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করার ফলে সড়ক স্থাপনের বছর খানেকের মধ্যে অনুপযোগী হয়ে পড়েন। যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষ জেনেও না জানার ভান করে রয়েছেন। এই সড়কের ১নং বাসা থেকে ৯ নং বাসার সামনে পর্যন্ত খোয়া,পিচসহ বিভিন্ন মালামাল বিনষ্ট হওয়ায় এখন এই সড়কে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষ ও উপশহর ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জেনেও বুঝে না বোঝার ভান করে বসে আছে। এই সড়কের উপর দিয়ে যশোর খুলনা রুটের যানবাহন চলাচল করায় এই সড়কের অবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছেন। তাই অবিলম্বে ওই সড়কে উন্নয়নসহ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পরিষদের প্রশাসকসহ জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ।



