রামপালে জমি মালিকের সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ নগদ অর্থের প্রয়োজনে বাগেরহাটের রামপালে জমি ও দোকান ঘর বিক্রি করে পাওনা টাকা না পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন কনিকা হালদার নামের এক নারী। রামপাল উপজেলার ফয়লাহাট সন্তোষপুর মোড়ে শনিবার বিকালে বিক্রিত দোকানঘরের সামনে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী নারী কনিকা হালদার বলেন, ২০২১ সালে তিনি পাশর্^বর্তী গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের কাছে ১১ শতক জমি ও দোকানঘর বিক্রি করেন। সেই সময় মোট ৬৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তিনি জমি ও দোকানঘর বিক্রি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ক্রেতা নগদ ২৫ লাখ টাকা প্রদান করেন। বাকি ৩৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি গ্রহীতা আঃ রহমান কৌশলে চেকটি ফিরিয়ে নেন এবং বাকি টাকার বিষয়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়ে কোনো সমাধান না পাওয়ায় পরবর্তীতে কণিকা হালদার রামপাল সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। তদন্তের ভিত্তিতে গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আব্দুর রহমানকে ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধের লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। অথচ এ সিদ্ধান্তের পর গত পাঁচ মাসে রহমান মাত্র ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। বাকি ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধে আবার কালক্ষেপণ ও টালবাহানা করছেন। কণিকা হালদারের দাবি করেন, মোশারেফ নামের এক ব্যাক্তি তার বাড়ি ফকিরহাট পরিচয় দিয়ে মোবাইল ফোনে তাদের ভয়ভিতি দেখান ও বলেন তোরা টাকা কিভাবে আদায় করিস তা আমি দেখে নিবো। বিষয়টি থানা পুলিশ কে অবগত করা হয়েছে। আর এ হুমকি প্রদান করায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছি।


