কুয়েট কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন

# আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহবানে #
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি : দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে পরিবারের ভরণ পোষণের ব্যয় বৃদ্ধি ও কর্মচারিদের ন্যায্য অধিকার বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ১:৪, ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৩৫,০০০/-টাকা পে-কমিশনের রিপোর্ট প্রদানের ব্যবস্থাগ্রহণের মাধ্যমে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে কুয়েট কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন ও ভাইস-চ্যান্সেলরকে স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল ২৭ নভেম্বর সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যারয়ের দূর্বার বাংলার পদদেশে মানববন্ধনে কর্মচারী সমিতির সভাপতি শেখ এরশাদ আলীর সভাপতিত্ব এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসিব সরদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি ইমদাদ মোড়ল, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সম্রাট কাজী, মোঃ হাসান, মোঃ আসিফ গাজী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের সর্বস্তরের কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহবানে মানববন্ধনের বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিক চাকুরির ক্ষেত্রে পদবী অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে ভোগ করার কথা থাকলেও সচিবালয়ের বাহিরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ১১-২০গ্রেডের কর্মচারীরা সে সুবিধা থেকে বঞ্চিত। গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটি ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য ও পদ বৈষম্য দূর না করে শুধুমাত্র প্রশাসন ক্যাডারে কর্মরত কর্মচারীদের মধ্যে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের সুযোগ করে দিয়েছেন। এমন কি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাড়ী থেকে এনে ভূতাপেক্ষভাবে পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা প্রদান করেছেন। এতে করে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির দ্বারা ১১-২০ গ্রেডে কর্মরত কর্মচারীদের বিন্দুমাত্র সফলতা আসেনি। বক্তারা আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্মচারীদের ৯ম পে স্কেল প্রদানের দাবি না মানলে রাজপথে নেমে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন এবং ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় কর্মচারীদের মহাসমাবেশ সফল করার আহ্বান জানান। মানববন্ধন শেষে একটি স্বারকলিপি বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের দপ্তরের প্রেরণ করা হয়।



