যশোর শহরের এক বাড়িতে গেল দূর্গা পুজাকে পুঁজি করে চাঁদা চেয়ে আক্রমণ

যশোর ব্যুরো ঃ শহরের বেজপাড়া,প্রগতী পল্লি ১ নং গলির এক বাড়িতে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা গেল দূর্গা পুজাকে পুঁজি করে চাঁদা দাবিসহ হামলা এবং প্রাণ নাশের হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের তদন্তে নেমেছেন কোতয়ালি থানার এসআই সিমন হাওলাদার।
ওই এলাকার বলরাম সাহার ছেলে রবিন কুমার সাহা জানান, সম্প্রতি তিনি বেজপাড়া প্রগতী পল্লি ১নং গলিতে নতুন বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করে। ওই এলাকার মৃত শান্তি সরকারের ছেলে বাদল সরকার, সুধীর তরফদারের ছেলে প্রদীপ তরফদার, বিন্দবন পালের ছেলে প্রশান্ত পাল, সুকুমার এর ছেলে হারু, অলোক দাসের ছেলে অর্গদাস ও সুুব্রতপাল, অপুসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবক গেল দূর্গাপুজাকে পুঁজি করে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। রবিন কুমার দাস গেল দূর্গাপুজায় তাদের দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় চাঁদাবাজরা সংঘঠিতভাবে তাকে হুমকী ধামকী দিতে থাকে। এক পর্যায় শুক্রবার ৫ ডিসেম্বর বিকাল ৪ টায় উল্লেখিত সন্ত্রাসীসহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা রবিন কুমারের বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে এসে তাকে ডাকাডাকি করে। এক পর্যায় রবিন কুমার সাহা গেটের সামনে আসলে চাঁদাবাজরা তাদের দাবীকৃত ৫ হাজার টাকা চাঁদাদাবি করে। ৫হাজার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে চাঁদাবাজদের মধ্যে বাদল সরকার রবিন কুমারের গলা ধাক্কা দিয়ে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়। এসময় বাদল সরকারের সাথে উল্লেখিত চাঁদাবাজরা অবস্থান করছিল বলে রবিন কুমার সাহা জানিয়েছেন। চাঁদাবাজরা রবিন কুমার সাহাকে তাদের দাবিকৃত চাঁদা না দিলে অব্যাহতভাবে হুমকী দেয়। রবিন কুমার সাহা পরিবার নিয়ে চরমভাবে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়ে। সে উপায়ূন্তর না পেয়ে রাতে কোতয়ালি থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের তদন্তে নামের কোতয়ালি থানার এসআই সিমন হাওলাদার। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সিমন হাওলাদার রবিন কুমার সাহার কাছে চাঁদাবাজির ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। তাই পরিবার নিয়ে সে আতংকের মধ্য দিনাতিপাত করছেন বলে জানিয়েছেন।



