স্থানীয় সংবাদ

শহীদ হাদির মৃত্যুতে শোকাহত জাতির পাশে না থেকে সহিংসতা চালানো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র

# খুলনা মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বক্তারা #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, শহীদ হাদির নির্মম মৃত্যুর শোকে যখন পুরো জাতি স্তব্ধ, যখন মসজিদে-মসজিদে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় উঠছে দোয়ার হাতÑঠিক সেই মুহূর্তেই দেশ আবারও প্রত্যক্ষ করল অমানবিক সহিংসতার নগ্ন চেহারা। ডেইলি স্টার, প্রথম আলোসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং বরেণ্য সাংবাদিক নূরুল কবীরসহ একাধিক ব্যক্তির ওপর সংঘটিত হীন ও কাপুরুষোচিত। হামলার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। অথচ আজ এই স্বাধীন দেশে নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। একজন শহীদের রক্ত এখনও শুকায়নি, তার পরিবারের কান্না থামেনিÑএর মধ্যেই সংঘটিত এই সহিংসতা জাতির বিবেককে রক্তাক্ত করেছে। যারা জাতির দুঃখ, শোক ও সংকটের সময় ওঁৎ পেতে থাকে, তারা এই দেশের শত্রু। শোককে শক্তিতে রূপান্তর না করে যারা ধ্বংসে পরিণত করে, তারা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ভয়ংকর হুমকি। শহীদ হাদির শাহাদাতকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়ার দায় এড়াতে পারে না বর্তমান সরকার।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে ঢাকায় যাওয়ার ব্যাপারে খুলনা মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা আরো বলেন, শহীদ হাদি কেবল একজন প্রার্থী ছিলেন নাÑতিনি ছিলেন মানুষের কণ্ঠস্বর। তিনি জনগণের দরজায় দরজায় গিয়ে আশা আর পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন। তার হত্যার বিচার আজ আর রাজনৈতিক দাবি নয়, এটি জাতির নৈতিক দাবি। একই সঙ্গে প্রতিটি মব সন্ত্রাসের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের পতনের পর দেশের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হবে ছিন্নভিন্ন জাতিকে আবার এক সুতোয় গাঁথা। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা এবং নাগরিক জীবনের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। সভা থেকে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, রক্ত আর অশ্রুর এই রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। দেশের সংকটময় মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে যারা ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ে লিপ্ত হয়, তারা এই দেশের শত্রু। এরা সংকটের জন্য অপেক্ষা করে এবং জাতির দুঃখ-দুর্দশাকে পুঁজি করে সহিংসতা ছড়াতে চায়। শহীদ হাদির শাহাদাতের মতো একটি বেদনাদায়ক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকা- চালানো অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। সন্ত্রাস ও উসকানির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। শহীদ হাদির আত্মত্যাগ যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়Ñএই অঙ্গীকার নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কেএম হুমায়ুন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি, এড. মোহাম্মাদ আলী বাবু, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, হাবিবুর রহমান বিশ^াস, ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, এড. তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, যুবদলের শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, মহিলা দলের সৈয়দা নার্গিস আলী, এ্যাড: হালিমা আক্তার খানম, হাসনা হেনা, সুলতানা পারভিন রজনী, ময়না, পারভীন, জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মিরাজুর রহমান মিরাজ, ইস্তিয়াক আহম্মেদ, মুন্তাসির আল মামুন, তাঁতী দলের আবু সাঈদ শেখ, ওলামা দলের মাওলানা মোঃ আবু নাঈম কাজী, শ্রমিক দলের মো. মজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, মিডিয়া সেলের মিজানুর রহমান মিলটন, ছাত্রদলের সৈয়দ ইমরান হোসেন. খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ নাসির উদ্দিন, মতলেবুর রহমান মিতুল, মোল্লা সোহাগ হোসেন, ছাত্রদলের শাকিল আহমেদ, মাসুম বিল্লাহ, সাব্বির হোসেন, আব্দুস সালাম, রাকিব হাসান, এস এম আলমগীর হোসেন, ইফতেখার হোসেন বাবু, শেখ মনিরুজ্জামান মনির, মাসুদউল হক হারুন, মোল্লা মশিউর রহমান,মোস্তফা কামাল, মোঃ শফিকুল ইসলাম, গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, আজিজুর রহমান, শেখ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ মাহমুদ আলম মোড়ল, লিটন খান, মোঃ সাইফুল আলম, এ্যাড. কাজী সামীম, সৈয়দ হাসান উল্লাহ, মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ, মোঃ জাহিদুল হোসেন, সাহিনুল ইসলাম পাখি, হায়দার আলী তরফদার, কাজী মোঃ ইকরাম মিন্টু, মোঃ বেলায়েত হোসেন, মোঃ হুমায়ূন কবির, লিয়াকাত হোসেন লাভলু, মোঃ খবির উদ্দীন, মোঃ জয়নাল আবেদিন, ইকবাল হোসেন মিজান, শেখ আলমগীর হোসেন, শেখ আব্দুস সালাম, মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোঃ বায়েজিদ,মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ সওগাতুল আলম ছগীর, মোঃ আমিন আহমেদ,মোঃ শওকত আলী বিশ^াস লাবু, সাইফুল ইসলাম, মোঃ ওহিদুজ্জামান হাওলাদার, কাজী মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ আবুল ওয়ারা, মোঃ কামরুজ্জামান রুনু, মোঃ আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, এ এম মাসুম বিল্লাহ, মোঃ আবুল কালাম, শেখ নুরুল ইসলাম, গাজী সালাউদ্দীন, মোঃ আরমান শেখ, খন্দকার ইকবাল কবীর, শেখ আনসার আলী, মোঃ রাসেলুজ্জামান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মীর শওকত হোসেন হিট্টু, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, জাহাঙ্গীর কবির, শেখ মোঃ মফিজুর রহমান, জামির হোসেন দিপু, মোঃ মুরাদ হোসেন, মোঃ মফিজুল সরদার, সৈয়দ আজাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, বাবুল রানা, মোঃ সোহরাব মোল্লা, মোঃ ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, শেখ মনিরুল ইসলাম, মোঃ বক্কর মীর, মোঃ আলী আফজাল, ডাঃ শাহিন আহসান, মোঃ আসমত আলী, জাহাঙ্গীর কবির, মোঃ হালিম শেখ, মোঃ বাচ্চু শেখ, মোঃ সহিদুজ্জামান জুয়েল, মিজানুর রহমান, আছাদুজ্জামান মনির, শেখ মোঃ কবির হোসেন টিটো, মোঃ মুরাদ হোসেন, মাঃ সাইফুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ বিল্লাল হোসেন, মোঃ আকসির হোসেন, মোঃ রইচ উদ্দীন, মোঃ মামুন শেখ (মেম্বর), শেখ আনোয়ার হোসেন।
সভা থেকে মহানগর বিএনপির তত্ত্ববধায়নের এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রধানদের সমন্বয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বরের আগে বাস, ট্রেন ও ব্যক্তিগত পরিবহনের মাধ্যমে মহানগর, থানা, ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button