ফ্যাসিবাদের হামলার মুখে মমতা নার্সিং কলেজ পরস্পর বিরোধী দু’টি অভিযোগ থানায় দাখিল

স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনা মমতা নার্সিং কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। ফ্যাসিবাদ একটি চক্র দীর্ঘ দিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতে কলেজ কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন। যার নং-এমপি-৭৯৩/২৪। মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় দুবৃত্তরা সোমবার দিবাগত রাতে ফ্যাসিস্ট সাবু ও এনামুল চক্র কলেজের প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে। জোর করে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করে। প্রতিষ্ঠানের নির্মানাধীন কাজে বাধা গ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের লেখা পড়ায় ব্যাঘাত হচ্ছে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ এড. রফিকুল রইসলাম বাদী হয়ে উল্লেখিত দু’ জনের নামে খানজাহান আলী থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। বাদী অভিযোগ করে বলেন, চক্রটি বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট যুবলীগের মিছিল মিটিং করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এখন আবার ভোল পাল্টিয়ে বিএনপির মিছিল মিটিং করছে। আগে ফ্যাসিস্ট লিংকন বাহিনীর ক্যাডার ছিল। এখন অন্য কারোর ক্যাডার হতে মিছিল মিটিং করছে। এদের ব্যাপারে সতর্ক না থাকলে দলের ভাবমূর্তি নস্ট হবে বলে এড. রফিকুল ইসলাম জানান। এদিকে কলেজ মালিকের বিরুদ্ধে পাশ্ববর্তী সাহাবুব আলমের পাকা বসতবাড়ী রাতের অন্ধকারে ভেঙ্গে ফেলে সাইনবোর্ড দিয়ে দখলের করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তোভোগী সাহাবুব আলম বলেন, আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্বেও আদালতের নির্দেশ অমান্য করে হঠাৎ করে ২২ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ২টার দিকে মমতা ক্লিনিকের মালিক রফিকুল ইসলাম, তার পুত্র ও তার ভাই সৈয়দ শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০/৩৫জন ব্যক্তি বাড়ীতে প্রবেশ করে বসতবাড়ীর দেয়াল ভেঙ্গে ঘরের গ্রীল, দরজা, জানালা, বৈদ্যুতিক মিটারসহ মালামাল লুটপাট করে ট্রাক যোগে নিয়ে যায়। ভাঙ্গার শব্দ যাতে পার্শবর্তীরা শুনতে না পারে সে জন্য তারা উচ্চ শব্দে মাইকের সাউন্ড বাজিয়ে ভাংচুর করে। এ বিষয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ভাবে থানাকে অবহিত করি। থানা থেকে দ’ুজন অফিসার ঘটনাস্থলে আসলে সাহাবুব আলম আরো জানায় ক্লিনিকের মালিক প্রভাবশালী এবং এ্যাডভোকেট হওয়ায় মামলার ভয়ে কেউ এগিয়ে আসে না। তারা র্দীর্ঘদিন যাবত আমাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন করে আসছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ তার পরিবারের নিরাপত্তার দাবী জানান। এ বিষয়ে খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানোয়ার হোসেন মাসুম বলেন, এ ব্যাপারে পৃথক দু’টি অভিযোগ দাখিল করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



