স্থানীয় সংবাদ

যশোরে প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনা শহর ও শহরতলীর মানুষ উদ্বিগ্ন

মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে ঃ
কোতয়ালি থানা ও থানা এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প এবং ফাঁড়ি থাকা সত্বেও চোরের উপদ্রব্য বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনায় কোতয়ালি থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মিলছেনা এমন অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দায়িত্বহীনতার ফলে চুরির ঘটনা অহরহ ঘটছে বলে দাবি করেছে যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষ।
বিভিন্ন সূত্রগুলো থেকে জানাগেছে,যশোর শহর ও শহরতলী এবং বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় হঠাৎ করে চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কাহারও টিউবওয়েলের মাথা,কাহারও মোটর সাইকেল,মোটর সাইকেলের হেলমেট,এসির আউটারের তামার পাইপ, মোবাইল,নগদ টাকা পয়সা থেকে শুরু করে এমন কোন জিনিষ পত্র নাই যে তা চুরি হচ্ছেনা। হঠাৎ করে চুরির উপদ্রব্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন পেশার মানুষেরা চরম আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। কখন বাসা বাড়িতে চোর ঢুকে চুরি করে এমন আতংকে তাদের দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।
খোঁজখবর নিয়ে জানাগেছে, উপশহর ই ব্লকের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গত এক সপ্তায় ছোটবড় ৭টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা সন্ধ্যারাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই এলাকার বেক কয়েকটি বাড়িতে হানা দিয়ে মোবাইল,নগদ টাকা,হেলমেট, বাইসাইকেল চুরি করে সটকে পড়ে। প্রতিরাতে ওই এলাকায় চোরেরা বিভিন্ন বাসা বাড়িতে সঙ্গোপনে ঢুকে বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। ই ব্লকের বাসিন্দারা জানান, ইতিপূর্বে ওই এলাকায় রাতে উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের টহল থাকলেও এখন নেই তাই চোরেরা অবাধে রাতের আধারে বিচারণ করে চুরি করতে নির্ভয়ে। শুধু উপশহরের ই ব্লকে নয়। উপশহর,এ,বি,সি,ডি, এফ,জি ব্লকসহ উপশহরের বিবিভন্ন সেক্টর গুলোতে গড়ে ওঠা বাসা বাড়িতে প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রতিনিয়ত বাসা বাড়ি ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির খবর নিয়ে কোতয়ালি থানা কর্তার স্মরনাপন্ন হলে তিনি প্রাথমিক তদন্তের নামে একজন এসআই,এএসআইকে তদন্তর দায়িত্ব দেন। তারা তদন্তের নামে গড়িমসি করে অভিযোগকারীর আবেদন তাদের ফাইলবন্দি করে রাখেন। পরবর্তীতে অভিযোগকারী তাদের অভিযোগের অগ্রগতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন তাদের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তকারীর ফাইল বন্দি হয়ে আছেন। গত এক মাসে কোতয়ালি থানায় যে অভিযোগ পড়েছে। তার অধিকাংশ চুরির ঘটনা। থানার পাবলিক রেজিষ্ট্রার দেখলে বোঝা যাবে চুরির অভিযোগ কি পরিমান জমা হয়ে আছে। পুলিশের এহেন কর্মকান্ডে যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষ হতাশার মধ্যে পড়েছেন। তারা চুরির হাত থেকে মুক্তি পেতে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button