‘‘ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে, জীবনের বিনিময়ে এদেশের মানুষের ভোটাধিকার পুনরায় ফিরে এসেছে’’

# দৌলতপুরে আলহাজ¦ শেখ শওকত আলীর স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে : বকুল
স্টাফ রিপোর্টার : আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এই ভোটাধিকার কিন্তু এমনি ফিরে আসেনি, ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে, জীবনের বিনিময়ে এদেশের মানুষের ভোটাধিকার পুনরায় ফিরে এসেছে। অসংখ্য নেতাকর্মী গুম হয়েছে, খুন হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছে, পঙ্গুত্ববরণ করেছে কেবলমাত্র এই ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে যিনি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আর কেউ নন, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ী থেকে তাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। কেবল এখানেই শেষ নয়, মিথ্যা মামলায় তাকে জেল খাটানো হয়েছে, তাকে শারীরিক মানসিকভাবে নির্যাতন করতে করতে মৃত্যুর মুখে ফেলা দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র এই ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্যই তিনি সাধারণ মানুষের জন্য তার জীবনের উৎস্বর্গ করে গিয়েছেন, সুতরাং, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন, কোনো অবস্থাতেই এই ভোট নষ্ট করা যাবে না। যারা আগামী দিনে জনগণের পাশে থেকে কাজ করবে, জনগনের সেবা করবে, দেশের সার্বিক উন্নয়নসহ খুলনার উন্নয়ন করবে, তাদেরকেই ভোট প্রদান করতে হবে- বুধবার (৭ জানুয়রি) রাতে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর পাবলা কেশবলাল রোড এলাকার বাসিন্দা কেসিসির ৬ নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত সাবেক কাউন্সিলর ও ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব শেখ শওকত আলীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ¦ রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেছেন। তিনি তার বক্তৃতায় শিক্ষিত বেকার, যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বলেন, যদি শিক্ষিত বেকারদের চাকুরীর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়, বন্ধ জুট মিল গুলো খুলে দেওয়া যায়, মা-বোনদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়, তবে সমাজ থেকে অপরাধমূলক কর্মকান্ড কমে যাবে, মাদক কারবারি কমে যাবে, একটি সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে। তিনি আরো বলেন, জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক, এমন প্রত্যাশা আমাদের। যে সরকার সারা বাংলাদেশের মতো খুলনার-৩ আসনেও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে। ওই সরকারের অধীনে এই অঞ্চলের বন্ধ পাটের কারখানা গুলো খুলে দেওয়া হবে, নব উদ্যমে শ্রমিকরা কাজ শুরু করবে, বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
সাবেক কাউন্সিলর ও ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম শওকত আলীর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ শামসুল আলম মিল্টনের সভাপতিত্বে ও শেখ ইব্রাহিম হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন বিএনপির সাবেক দৌলতপুর থানা সভাপতি শেখ মুশাররফ হোসেন, যোগীপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মীর কায়ছেদ আলী, খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, বিজেএর ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম পিয়াস, দৌলতপুর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, সাবেক কাউন্সিলর শেখ জাহিদুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর কবির হোসেন কবু মোল্লা, সাইফুল ইসলাম, সাবেক ভিপি ও জিএস মতিয়ার রহমান মতি, সরদার মিনারুল ইসলাম, সরদার রাফিকুল ইসলাম, অমর কুন্ডু, শেখ লুৎফর রহমান, শেখ রমজান আলী, শেখ মুক্ত, শেখ লিয়াকত হোসেন, গোপাল চন্দ্র শীল, মোল্লা শফিকুল ইসলাম বাবু, অমিত কুমার সাহাসহ বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিতগন, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন শেখ শওকত আলী জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।



