আশাশুনির দাঁদপুরে রেকর্ডীয় ৭০ বছর দখলীয় জমির গাছ কর্তন

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) ঃ আশাশুনি উপজেলার দাঁদপুরে ৭০ বছরের ভোগদখলীয় ভিটেবাড়ির গাছ জোর পূর্বক কর্তনের আভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামে ৬৬ নং খতিয়ানে সাবেক ৩৯০ ও ৩৯১ দাগে, বিআরএস ৭৪৭ ও ৭৬৪ দাগে (বাড়ি) ৪৯ শতক জমি ১৯৭০ সাল থেকে আত্তাব বিশ্বাসের নামে রেকর্ড হয়। তার মৃত্যুর পর দুই পুত্র খোদাবক্স ও আনারুল সমান অংশে ঘরবাড়ি বেধে বসবাস করে আসছেন। ২০১৬ সালে আনারুল তার ঘরবাড়ি অটুট রেখে জমির মাথায় রাস্তার পাশে খাস জমিতে ঘরবেধে বসাবস শুরু করেন। সেখানে বসবাস করলেও ভিটেবাড়ির জমিতে গাছ গাছালি লাগিয়ে ভোগজাত করতে থাকেন। আনারুল বিশ্বাস জানান, ২০১৭ সাল থেকে মৃত মোকছেদ সরদারের ছেলে গোলাম রসুল ঐ খতিয়ানে জমি পাওনা আছে দাবী করে আনারুলের অংশে জবর দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এনিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে ও চলমান আছে। বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সাতক্ষীরায় আনারুল বাদী হয়ে পি-১২৫০/১৫ (আশাঃ) মামলা করলে বিজ্ঞ আদালত স্ব স্ব দখল বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন ১৮/১১/১৬ তাং। জমিতে আনারুল ভোগদখলে থাকা অবস্থায় গোলাম রসূলের পক্ষে আলীম উদ্দীন, ফারুক বিশ্বাস, তঞ্জুরুল ও সাজেদা খাতুন গত ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে জমি দখল ও গাছ পালা কাটা ও বসত ঘর দখল নেয়। বাধা দিলে মারপিট করে। পুলিশের হস্তক্ষেপে ঘর ছেড়ে দেবে সিদ্ধান্ত হলেও ছেড়ে দেয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জানুয়ারি সকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা রবিউলসহ অন্যদের সহযোগিতায় আলীমদ্দীন তার লোকজন ১৫ বছর বয়সের বৃহৎ শিশু গাছ কেটে ফেলে। বাধা দিলে এদিন সন্ধ্যায় বসাবসির সিদ্ধান্ত হয়। বিএনপি অফিসে শালীস বসলেও জবর দখলকারীরা কাগজ দেখাতে পারেনি। এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও আনারুল দিংদেরকে বের করে দেয়া হয়। বাধ্য হয়ে তারা কর্তনকৃত গাছের ডালপালা নিজেদের আয়ত্বে নিয়েছে। এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
অভিযুক্ত আলিমুদ্দীন জানান, গাছ ওরা লাগিয়েছে, তবে জমি এ্যাওয়াজ করে নিয়েছি। খাস জমি দিয়ে রেকর্ডীয় জমি এ্যাওয়াজ? জবাবে বলেন, না ওটিও রেকর্ডীয়।



