অব্যবস্থ্যপনা-অবহেলায় চলছে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম

এক্স-রে রুম থাকছে তালাবদ্ধ
স্টাফ রিপোর্টার : নানা অব্যবস্থ্যপনা আর অবহেলায় চলছে খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সেবা। হাসপাতালটিতে ওটি, আল্ট্র¯েœাগ্রাম, এক্স-রে ব্যবস্থা থাকলেও এসব কক্ষে থাকছে তালাবদ্ধ। এমনকি হাসপাতালটির ৪৯ নং কক্ষে এক্স-রে রুম সেই কক্ষ টিতে আছে দুটি তালা দিয়ে বন্ধ রাখা। এছাড়া হাসপাতালটিতে মানবদেহের জন্য জরুরী প্যাথলজী পরীক্ষার ব্যবস্থ্যা থাকলেও কতিপয় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা কমিশনের লোভে গ্রামের সহজ-সরল রোগীদের একাধিক অপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার জন্য বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠাচ্ছে।
হাসপাতালটিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গেল ২৪-২৫ অর্থ বছরে শুধু জুলাই মাসে প্যাথলজী পরিীক্ষা বাবদ সরকারী কোষাগারে জমা হয়েছে ৪৮ হাজার ৫শ’ টাকা। এমনকি এর থেকে আরও বেশি অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা হতো। তবে, বর্তমানে এই অর্থ নেমে এসছে এর অর্ধেকের ও অনেক কম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেল ডিসেম্বর মাসে মাত্র ১৩ হাজার ৯৮০ টাকা জমা হয়েছে প্যাথলজি পরীক্ষা বাবদ। এ বিষয়ে কথা হয় ভুক্তভোগী রোগী আমেনা বেগমের সাথে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ্য হয়ে মাজায় ব্যাথার জন্য। সেখানে আমি ডাঃ মিরিনিময় পালে কাছে গেলে তিনি আমাকে কোন ওষুধ না লিখে বিভিন্ন পরীক্ষা করে আনতে বলেন, এছাড়া এ-গফুর মেমোরিয়ালে গেলে একটু কম নিবে বলে একটি সুপারিশ করে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে আমি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গেলে তারা আমাকে বলে আপনার প্রায় সারে চার হাজার টাকা লাগবে।আমি এত টাকার কথা শুনে চলে আসি। পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাই এখন আমি সুস্থ্য। এমনকি তিনি অফিস চলাকালীন সময়ে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধির সাথে আড্ডাসহ বিভিন্ন উপহার-উপটৌকন নিয়ে ব্যবস্থ্য থাকেন বলে অভিযোগ আছে।
এ বিষয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিরিনিময় পালের মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরীক মোঃ আজিম উদ্দিন বলেন, সরকার কোটি টাকা খরচ করে গরীব মানুষের অর্থ কম খরচে চিকিৎসার জন মানব দেহের বিভিন্ন পরিক্ষার জন্য মেশিন দিয়েছে হাসপাতালে ।তবে সব কিছু এখন অবহেলায় পড়ে আছে। কেউ দেখার নেই। বর্তমান হাসপাতালটির প্রধান ড্ঃা জেসমিন আরা তিনি রাজনৈতিক এক প্রভাবশালী বড় এক নেতার পরিচয় দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করছে।
বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালটির ইউএচ এন্ড এফপিও ডাঃ জেসমিন আরা বলেন, হাসপাতালটিতে বেশ দালালদের আনাগোনা আছে তারাই রোগীদের ভাগিয়ে নিয়ে বাইরের থেকে পরীক্ষা করে আনে। আমি একজন দালালকে ধরেছিলাম পরে ক্ষমা চেয়ে চলে গেছে। আর টিকিৎসকরা রোগী পাঠাতে পারে আমি জানিনা অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডাঃ মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি জানিনা এমন অনিয়ম হচ্ছে। আমি ইউএইচ এন্ড এফপিওকে বলছি। পাশাপাশি আমি নিজেই তদন্ত করব ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নিব।


