স্থানীয় সংবাদ

ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেছেন, মানুষ ইচ্ছে করলে তার স্বপ্নের সমান বড় হতে পারে। মহান সৃষ্টিকর্তা মানুষের মধ্যে সেই ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিভাবান হিসেবে উল্লেখ করে তিনি কঠোর অনুশীলন ও অধ্যবসয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ স্বপ্নকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আহবান জানান। কেসিসি প্রশাসক মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, যেখানে খেলাধুলা সেখানেই সুস্থ দেহ। দেহ সুস্থ থাকলে মন সুস্থ থাকে এবং মন সুস্থ থাকলে লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়া যায়। সুকুমার বৃত্তির চর্চার প্রমাণ রাখতে যারা বছরব্যাপী অপেক্ষার পর বিজয়ী হতে পারেনি আগামী বছরের জন্য তাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে গেলে শিক্ষা-দীক্ষায়, মননে ও সৃষ্টিশীলতায় খ্যাতি অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো: মোখতার আহমেদ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। সকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো: ইমরুল কায়েস-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়াবাটী হাজী শরিয়ত উল্লাহ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক শেখ জাহিদুজ্জামান, ইসলামাবাদ কলেজিয়েট স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এ্যাড. চৌধুরী তৌহিদুর রহমান তুষার, সুষ্মিতা দত্ত, সোনিয়া পারভীন ও থানা একাডেমিক সুপারভাইজার সালেহা সুলতানা। স্বাগত বক্তৃতা করেন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী আয়োজোক কমিটির আহবায়ক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এম এম বিল্লাল হোসেন এবং উপস্থাপনা করেন প্রভাষক কাজী আব্দুল কাদের ও শিক্ষক কামরুন্নাহার লোপা। পরে বিকাল ৩টায় কেসিসি প্রশাসক মো: মোখতার আহমেদ নগরর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের (৬ থেকে ২০ গ্রেড) অধিকতর সেবাধর্মী ও দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৮দিন ব্যাপী পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনার আলোকে এবং ‘সি ফোর সি (জেআইসিএ)’ প্রকল্পের পরামর্শক্রমে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আওতায় ১১ জানুয়ারি থেকে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়। কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট কোহিনুর জাহান সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণে কোর্স পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কেসিসি’র সচিব আরিফুল ইসলাম এবং কোর্স সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ। প্রশাসনিক, রাজস্ব, পূর্ত, কঞ্জারভেন্সী ও স্বাস্থ্য বিভাগের ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button