খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০৩ জন

# ২৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬টি আসনে ৩৫টি প্রতীকে ২০৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মাত্র ২৬ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা লড়ছেন ৮টি প্রতীকে। বাকি ২৭টি প্রতীক দলীয়। খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রতীকের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লায় ৩৫ জন, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখায় ৩১ জন ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গলে ২৫ জন, কাস্তেতে ৭ জন, ফুটবলে ৭ জন, ট্রাকে ৬ জন, ঘোড়ায় ৬ জন, মইয়ে ৫ জন, তারায় ৪ জন, রকেটে ৪ জন, ঈগলে ৪ জন, কলসে ৪ জন, হরিণে ৩ জন, মোমবাতিতে ২ জন, মোটরসাইকেলে ২ জন, উদীয়মান সূর্যে ২ জন, দেয়াল ঘড়িতে ২ জন, জাহাজে ২ জন, চেয়ারে ১ জন, হাতিতে ১ জন, আনারসে ১ জন, কাঁচিতে ১ জন, কাপ-পিরিচে ১ জন, টেলিভিশনে ১ জন, চশমায় ১ জন, ডাবে ১ জন, ছড়িতে ১ জন, পাঞ্জাতে ১ জন, হারিকেনে ১ জন, দোয়াত-কলমে ১ জন, ঘুড়িতে ১ জন, সিংহে ১ জন, ডাবে ১ জন ও মোটরগাড়িতে (কার) ১ জন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ফুটবলে ৭ জন, ঘোড়ায় ৬ জন, কলসে ৪ জন, হরিণে ৩ জন, মোটরসাইকেলে ২ জন, জাহাজে ২ জন, কাপ-পিরিচে ১ জন ও ঘুড়িতে ১ জন রয়েছেন।
খুলনায় ৬ আসনে ৩৮ প্রতিদ্বন্দ্বী ঃ খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) : সম্মিলিত জাতীয় জোটের অন্তর্গত বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায় (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির কিশোর কুমার রায় (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু সাঈদ (হাতপাখা), জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত (তারা), বিএনপির আমির এজাজ খান (ধানের শীষ), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রবীর গোপাল রায় (রকেট), বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডল (দোয়াত কলম), স্বতন্ত্র অচিন্ত্য কুমার মন্ডল (ঘোড়া), স্বতন্ত্র গোবিন্দ হালদার (কলস) ও গণঅধিকার পরিষদের জি এম রোকনুজ্জামান (ট্রাক) প্রতীক পেয়েছেন।খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) : বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (দাঁড়িপাল্লা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি আমানুল্লাহ (হাতপাখা) প্রতীক পেয়েছেন।খুলনা-৩ (খালিশপুর, দৌলতপুর ও আড়ংঘাটা) : আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল আউয়াল (হাতপাখা), বিএনপির রকিবুল ইসলাম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র মো. মুরাদ খান লিটন (ঘুড়ি), স্বতন্ত্র মঈন মোহাম্মাদ মায়াজ (ফুটবল), বাসদের জনার্দন দত্ত (মই), এনডিএমের শেখ আরমান হোসেন (সিংহ), জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র আবুল হাসানাত সিদ্দিক (জাহাজ) ও স্বতন্ত্র এস এম আরিফুর রহমান মিঠু (হরিণ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনুস আহম্মেদ শেখ (হাতপাখা), বিএনপির এস কে আজিজুল বারী (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইন (দেয়াল ঘড়ি) ও স্বতন্ত্র এস এম আজমল হোসেন (ফুটবল) প্রতীক পেয়েছেন।খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) : জামায়াতে ইসলামীর গোলাম পরওয়ার (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির মোহাম্মাদ আলী আসগার (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির চিত্ত রঞ্জন গোলদার (কাস্তে) ও জাতীয় পার্টির শামিম আরা পারভীন ইয়াসমীন (লাঙ্গল) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) : জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আছাদুল ফকির (হাতপাখা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির প্রশান্ত কুমার মন্ডল (কাস্তো) ও জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (লাঙ্গল) প্রতীক পেয়েছেন।
বাগেরহাটে ৪ আসনে ২৩ প্রতিদ্বন্দ্বী ঃ বাগেরহাট-১ আসন : স্বতন্ত্র জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এমএ এইচ সেলিম (ঘোড়া) এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মাসুদ রানা (ফুটবল), বিএনপির কোপিল কৃষ্ণ ম-ল (ধানের শীষ), জামায়াতের মাওলানা মশিউর রহমান খান (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবু সবুর শেখ (হাত-পাঞ্জা), এবি পার্টির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম (ঈগল), জাতীয় পার্টির স ম গোলাম সরোয়ার (লাঙ্গল), মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হক (হারিকেন)।বাগেরহাট-২ : বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অ্যাডভোকেট আতিয়ার রহমান (হাতপাখা)।বাগেরহাট-৩ : বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম (ধানের শীষ), জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিল্লুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. হাবিবুর রহমান মাস্টার (তারা)।বাগেরহাট-৪ : স্বতন্ত্র কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ), বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে (ধানের শীষ), জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফারুক (হাতপাখা), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির মো. আবদুল লতিফ খান (তারা), জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি (লাঙ্গল)।
সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ সাতক্ষীরা-১ : বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।সাতক্ষীরা-২ : বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, (দাঁড়িপাল্লা) জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মোটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতি রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।সাতক্ষীরা-৩ : স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল) বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) ও বিএমজেপির রুবেল হোসেন (রকেট)।সাতক্ষীরা-৪ : বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ও ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।
যশোরে ৬ আসনে ৩৬ প্রার্থীঃ যশোর-১ (শার্শা) : জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (লাঙ্গল), বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান (হাতপাখা)।যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) : বিএনপির সাবিরা সুলতানা (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী (হাতপাখা),বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের ইমরান খান (মই), বিএনএফের শামসুল হক (টেলিভিশন) এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ (ঈগল), স্বতন্ত্র জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া), মেহেদী হাসান (ফুটবল)।যশোর-৩ (সদর) : বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (হাতপাখা), জামায়াতের আব্দুল কাদের (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির খবির গাজী (লাঙ্গল), জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত (চশমা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির রাশেদ খান (কাস্তে)।যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) : স্বতন্ত্র এম নাজিম উদ্দিন-আল-আজাদ (মোটরসাইকেল), ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন (হাতপাখা), বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজি (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল (ঘড়ি), জামায়াতের গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জহুরুল হক (লাঙ্গল) এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার ম-ল (রকেট)।যশোর-৫ (মণিরামপুর) : জাতীয় পার্টির এম এ হালিম (লাঙ্গল), জামায়াতের গাজী এনামুল হক (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন (হাতপাখা), বিএনপির রশীদ আহমাদ (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র মো. কামরুজ্জামান (ফুটবল) শহীদ মো. ইকবাল হোসেন (কলস)।যশোর-৬ (কেশবপুর) : জাতীয় পার্টির জিএম হাসান (লাঙ্গল), বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), এবি পার্টির মাহমুদ হাসান (ঈগল), জামায়াতের মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা)।
চুয়াডাঙ্গায় ২ আসনে ৬ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ চুয়াডাঙ্গা-১ : বিএনপির শরীফুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাসুদ পারভেজ রাসেল (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামি আন্দোলনের জহুরুল ইসলাম আজিজী (হাতপাখা)।চুয়াডাঙ্গা-২ : বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর রুহুল আমীন (দাঁড়িপাল্লা) এবং ইসলামি আন্দোলনের হাসানুজ্জামান সজীব (হাতপাখা)।
নড়াইলের ২ আসনে ১৬ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ নড়াইল-১ : জেলা বিএনপি সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মো. ওবায়দুল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল আজিজ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মো. মিল্টন মোল্যা (লাঙ্গল) এবং স্বতন্ত্র বিএনপির তিন বিদ্রোহী অধ্যাপক বি এম নাগিব হোসেন (কলস), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এস এম সাজ্জাদ হোসেন (ফুটবল), সুকেশ সাহা আনন্দ (ঘোড়া), মো. উজ্জ্বল মোল্লা (হরিণ)।নড়াইল-২ : বিএনপির প্রার্থী ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মো. তাজুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের মো. নূর ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শোয়েব আলী (ছড়ি), স্বতন্ত্র জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (কলস) এবং ফরিদা ইয়াসমিন (জাহাজ)।
ঝিনাইদহের ৪ আসনে ২১ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ ঝিনাইদহ-১ : বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান (ধানের শীষ), এএসএম মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), এবি পার্টির মতিয়ার রহমান (ঈগল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী) শহিদুল এনাম পল্লব (কাঁচি) ও জাতীয় পার্টির মনিকা আলম (লাঙ্গল)।ঝিনাইদহ-২ : বিএনপির মো. আব্দুল মজিদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের আসাদুল ইসলাম (মই), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির আবু তোয়াব (কাস্তে), ইসলামি আন্দোলনের মমতাজুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির সওগাতুল ইসলাম (লাঙ্গল)।ঝিনাইদহ-৩ : বিএনপির মেহেদী হাসান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা সারোয়ার হোসেন (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের সুমন কবির (ট্রাক)। ঝিনাইদহ-৪ : বিএনপির রাশেদ খাঁন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবু তালেব (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র বিএনপির বিদ্রোহী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (কাপ পিরিচ), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল জলিল (হাতপাখা), গণফোরামের খনিয়া খানম (উদীয়মান সূর্য) ও জাতীয় পার্টির এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (লাঙ্গল)।
মাগুরার ২ আসনে ১১ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ মাগুরা-১ : বিএনপির মনোয়ার হোসেন খান (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির প্রার্থী জাকির হোসেন মোল্লা (লাঙ্গল), জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মতিন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী শম্পা বসু (মই), গণঅধিকার পরিষদের মো. খলিলুর রহমানকে (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলনের নাজিরুল ইমলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের কাজী রেজাউল ইসলাম (ডাব)। মাগুরা-২ : বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মুরতারশেদ বিল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা) জাতীয় পার্টির মশিয়ার রহমান (লাঙল), ইসলামী আন্দোলনের মোস্তফা কামালে (হাতপাখা)।
কুষ্টিয়ায় ৪ আসনে ২৫ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) : বিএনপির রেজা আহামেদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর বেলাল উদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহা. বদিরুজ্জামান (মোমবাতি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের শাহাবুল ইসলাম (ট্রাক), জাতীয় পার্টির শাহরিয়ার জামিল (লাঙ্গল), জেএসডির ড. মো. গিয়াস উদ্দিন (তারা), স্বতন্ত্র বিদ্রোহী বিএনপি নেতা (দৌলতপুর উপজেলার সাবেক সহ-সভাপতি) নুরুজ্জামান মোল্লা (মোটরসাইকেল)। কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) : বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল গফুর (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির নুর উদ্দিন আহমেদ (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. বাবুল আক্তার (চেয়ার)। কুষ্টিয়া-৩ (সদর) : বিএনপির জাকির হোসেন সরকার (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমির হামজা (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের মীর নাজমুল ইসলাম (মই), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোছা রুমপা খাতুন (হাতি), গণঅধিকার পরিষদের শরিফুল ইসলাম (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল্লাহ আখন্দ (হাতপাখা)। কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) : বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর আফজাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আনোয়ার খান (হাতপাখা), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির তরুণ কুমার ঘোষ (রকেট), গণফোরামের আব্দুল হাকিম মিয়া (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. শহীদুল ইসলাম (আনারস)।
মেহেরপুরের ২ আসনে ৭ প্রতিদ্বন্দ্বীঃ মেহেরপুর-১ : বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুণ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মেহেরপুর জেলা জামায়াতে আমির মাওলানা তাজ উদ্দিন খান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ (লাঙ্গল),বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান (কাস্তে)। মেহেরপুর-২ (গাংনী) : বিএনপির আমজাদ হোসেন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হুদা (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুল বাকী (লাঙ্গল)।



