খালিশপুরে গণভোটের লিফলেট মসজিদে ইমামকে পড়তে দিল না আ’লীগ নেতা

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর খালিশপুর পিপলস গোলচত্বরে বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমামকে গণভোটের লিফলেট মুসল্লীদের সামনে পড়তে দেয়া হয়নি। এ কাজটি করেছেন খালিশপুর ১০নং ওয়ার্ড আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আফিল উদ্দীন। তাকে সবাই আফিল পুলিশ নামে চেনে। তিনি ওই মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যও বটে। এ সময় মুসল্লি কামরুল ইসলাম-নামের একজন প্রতিবাদ করলে তাকে থামিয়ে দেয়া হয়। পরে কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “ইমাম সাহেব যখন গণভোটের প্রচারপত্রটি পাঠ করতে শুরু করেন তখনই আফিল পুলিশ তাকে পড়তে নিষেধ করেন। তখন আমি বলি, এটা শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। ইমাম সাহেব প্রচার পত্র পাঠ করতে কোন বাধা নিষেধ নেই। এ সময় আফিল পুলিশ তাকে অনেকটা রাগান্বিত হয়ে বলেন এ প্রচার না করার ক্ষেত্রে সকলের জন্য গেজেট হয়েছে।” আরেক প্রতিবাদকারী ইকবাল হোসেন-জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। অফিল পুলিশ একজন আ’লীগ নেতা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য বিধায় তাকে সবাই আফিল পুলিশ বলে ডাকে। বিগত দিনে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে অনেকবার। এখনও করছে। এটা মেনে নিতে কস্ট হচ্ছে। মসজিদের ইমাম নাজমুস সাহাদাত বলেন, “সরকার গণভোটের লিফলেট মুসল্লিদের পড়ে শুনানোর জন্য বলেছে প্রত্যেক ইমামকে। সে মতে আমি গণভোটের পড়তে গেলে আফিল পুলিশ তাকে বাধা দেন। সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ করেছে এমন অজুহাতে তিনি দেখান। ঝামেলা এড়াতে এ ব্যাপারে কোন কিছু না বলেই আফিল পুলিশের কথায় গণভোটের লিফলেট পড়া বন্ধ করে খুদবা পড়া শুরু করি।” তবে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও থানা বিএনপির সদস্য আঃ মতিন বাচ্চু ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। ঘটনার সময় তিনি মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় মসজিদের মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। শেখ আফিল উদ্দীনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
